• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

জাপানের 'শতায়ু যুবতী' সাঁতরে পার করলেন ১৫০০ মিটার

একেই বলে বয়সকে হার মানানো। শতায়ু হওয়া জাপানিদের কাছে মামুলি বাত। পরিসংখ্যান বলছে পৃথিবীর শতায়ু পার করা মানুষদের সবচেয়ে বেশি অংশ জাপানের বাসিন্দা। তবে শতবর্ষ পার করা আর এই বয়সে জলে নেমে সাঁতরে ১৫০০ মিটার পার করা প্রায় অসম্ভব। আর এই এসাধ্য কাজটাই করে দেখালেন এক জাপানি মহিলা

তাঁর নাম, মিইকো নাগাওকা। শতায়ু এই মহিলা পশ্চিম জাপানের একটি সাঁতার প্রতিযোগিতায় নেমে এক ঘণ্টা ১৫ মিনিট ৫৪.৩৯ সেকেন্ডে ১৫০০ মিটার সাঁতার কাটলেন।

জাপানের 'শতায়ু যুবতী' সাঁতরে পার করলেন ১৫০০ মিটার

১৯১৪ সালে জন্মানো নাগাওকা দক্ষিণ জাপানে নিঃসঙ্গ থাকেন। ৮২ বছর বয়সে প্রথম সাঁতার কাটা শুরু করেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রথমে সাঁতারের বিন্দুবিসর্গ জানতেন না তিনি। ওই বছর বয়সে হাঁটুতে চোট লাগার পরই তিনি সুইমিং পুলে আসেন শরীরচর্চা করতে। এরপরই নিজের চেষ্টাতে একলাই সাঁতার শিখে যান তিনি।

নাগাওকা জাপানের বিশেষ নৃত্যনাট্য 'নোহ' শিখেছেন। সেখানেও সাঁতারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লিখিত রয়েছে। যা তাঁর সাঁতার শেখার অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন এই শতায়ু তরুণী।

১৯৯৮ সালে ৮৪ বছর বয়সে তিনি সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। ২০০২ সালে ৮৮ বছর বয়সে নিউ জিল্যান্ডে একটি আন্তর্জাতিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে ব্রোঞ্জ জেতেন তিনি। এরপর ২০০৪ সালে ইতালিতে আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় তিনি ৫০ মিটার, ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে তিনটি রুপোর মেডেল জেতেন।

৯০ বছর বয়সে ৮০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে সাঁতার কেটে জাতীয় রেকর্ড গড়ায় জাপান সরকারের তরফে তাঁকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়।

এখনও পর্যন্ত ২৪ টি বিশ্বরেকর্ডের মালিক নাগাওকা এই মুহূর্তে জাপানের সবচেয়ে বেশি বয়সী সাঁতারু।

More japan NewsView All

English summary
100-year-old Japanese swims 1,500 meters in masters meet
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more