মায়ের ডেলিভারি করাল দশ বছরের বালক, সাহসের কথা শুনলে অবাক হতে হবে

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মা প্রসব বেদনায় ছটফট করছেন। বাড়িতে বাবা নেই। এমন অবস্থায় সাবালকদেরই ভয় পাওয়া কথা। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানার দশ বছর বয়সী বালক জেডেন ফ্রন্টনট যা করল তাকে কুর্নিশ না করে পারা যায় না। ডেলিভারিতে সাহায্য করে মা ও সদ্যজাত ভাইয়ের প্রাণ বাঁচিয়ে দিয়েছে একরত্তি জেডেন।

    [আরও পড়ুন:১৩৭ বছরে এই প্রথম মেয়ে জন্ম নিল পরিবারে, কোথায় ঘটল এমন ঘটনা]

    গত ১১ অগাস্ট প্রসববেদনা শুরু হয় অ্যাশলে মোরেও-র। তিনি ৩৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। সেপ্টেম্বরে ডেলিভারির তারিখ ঠিক ছিল। তবে তার আগেই বেদনা শুরু হয়। সেইসময়ে বাড়িতে দশ বছরের ছেলে জেডেন ছাড়া আর কেউ ছিল না।

    মায়ের ডেলিভারি করাল দশ বছরের বালক, সাহসের কথা শুনলে অবাক হতে হবে

    মা-কে ছটফট করতে দেখে জেডেন সঙ্গে সঙ্গে পাশের বাড়িতে গিয়ে ঠাকুমাকে খবর দেয়। তিনি ফোন করেন ৯১১ নম্বরে (বিপদের সময়ে এই নম্বরেই যুক্তরাষ্ট্রে মানুষ ফোন করেন)। তারপরই মায়ের কাছে ফিরে আসে জেডেন। বাথরুমে তখন রক্তাক্ত জেডেন ছটফট করছেন।

    তবে জেডেন ভয় না পেয়ে মাকে বলে কী করতে হবে তাকে। মোরেও বলেন, ভয় না পেয়ে পেটের ভিতরের শিশুটিকে টেনে বের করতে হবে। কারণ পেটের ভিতরে শিশুটি শ্বাস নিতে পারছে না। তারপরই রান্নাঘরে গিয়ে জেডেন নাসাল অ্যাসপিরেটর নিয়ে আসে। তাতেই কাজের সুবিধা হয়।

    তার কিছুক্ষণের মধ্যেই মেডিক্যালের সাহায্যকারীরা অ্যাশলের বাড়িতে চলে এসে মা ও সদ্যজাত শিশুটিকে নিয়ে গিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে।

    অ্যাশলে জানিয়েছেন, ছেলে জেডেনের বীরত্বে তিনি গর্বিত। সদ্যজাতের নাম রাখা হয়েছে ডেক্স। সে আপাতত হাসপাতালে ভর্তি। প্রশাসন সব জেনে জেডেনকে পুরস্কৃত করেছে। এখন জেডেন পথ চেয়ে রয়েছে কবে ভাই হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরবে।

    English summary
    10-year-old boy helps deliver baby brother, save mother in Louisiana, USA

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more