• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ফিরে দেখা ২০১৯ : ‌চন্দ্রযান ২ থেকে উপগ্রহ উৎক্ষেপণ, এ বছরটা ইসরোর কাছে চিরস্মরণীয়

আর মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরই আমরা পা দেব নতুন বছর ২০২০ তে। স্বাগত জানাবো নতুন সময়কে। তবে এ বছর বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনার পাশাপাশি মহাকাশ ক্ষেত্রেও বেশ কিছু নতুন সূচনা হয়েছে, যা মিশন ২.‌০ মোডে রয়েছে। এ বছরও দেশবাসী ইসরোর বিভিন্ন অভিযান সহ হাফ–সেঞ্চুরি দেখে ফেলেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ৫০ টি বিদেশি উপগ্রহকে অরবিটের মাধ্যমে মহাকাশে উৎক্ষেপন, ৫০তম পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহকেল উৎক্ষেপন এবং অবশ্যই বছর সেরা ভারতের চন্দ্রযান মিশন। যদিও এই মিশন সম্পূর্ণভাবে সফল হতে পারেনি, কারণ দেশের ল্যান্ডার বিক্রম চাঁদের একদম কাছে এসেই ভেঙে পড়ে। এ বছরই ইসরো এবং ডিপার্টমেন্ট অফ স্পেস (‌ডস)‌ তামিলনাড়ুতে দ্বিতীয় রকেট লঞ্চের প্যাড তৈরি করেছে, ভারতীয় রকেটে নেভিগেশন প্রসেস চিপ সহ দেশীয় পদ্ধতি যোগ করা হয়েছে।

স্যাটেলাইট লঞ্চ

স্যাটেলাইট লঞ্চ

এ বছর ইসরো সাক্ষী থাকল ৩১৯টি বিদেশি উপগ্রহ লঞ্চের। এছাড়াও ইসরোর পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে চন্দ্রযান৩ মিশনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে, গড়া হবে মানব মহাকাশ বিমান কেন্দ্র, তরুণ বৈজ্ঞানিকদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচীর সূচনা করবে ইসরো এবং ভারতীয় নভশ্চরদের বাছাই করে এবং বিভিন্ন মিশনে তাঁদের কাজে লাগানোর জন্য ভারতীয় বায়ুসেনার সঙ্গে চুক্তি করে ইসরো। মহাশূণ্যের ধ্বংসাবশেষগুলিকে মহাকাশের সম্পত্তি হিসাবে সযত্নে রাখার জন্য এবং মনিটরিংয়ের জন্য একটি কেন্দ্রের ভিত্তি প্রস্তরও স্থাপন করা হয়েছে। ইসরো যদিও এ বছরটা শুরু করেছিল ডিআরডিও-এর জন্য প্রতিরক্ষা ইমাজিং ‘‌ম্যাইক্রোসফট আর'‌ উপগ্রহ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। পরে ডিআরডিও মার্চ মসে স্যাটেলাইট বিরোধী মিসাইলের জন্য মাইক্রোসফট আর-কে নষ্ট করে দেয়।

পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহ

পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহ

ইসরো এ বছর বেশ কিছু পৃথীবি পর্যবেক্ষণকারী উপগ্রহের সূচনা করে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ডিআরডিওর বৈদ্যুতিন বুদ্ধিমত্তা উপগ্রহ এমিস্যাট, র‌্যাডার ইমাজিং উপগ্রহ রিসাট-২বি এবং রিসাট-২বিআর১। এগুলি ছাড়াও ইসরো ৫০তম পিএসএলভি রকেট উৎক্ষেপণ করে। তবে এ বছরের জুন মাসে ইসরো চেয়ারম্যান কে শিভন দেশবাসীকে অবাক করে ঘোষণা করেন যে দেশের নিজস্ব ২০ টন স্পেস স্টেশন তৈরি হবে আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে।

চন্দ্রযান–২ মিশন

চন্দ্রযান–২ মিশন

এ বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে দেশবাসীর নজর ছিল দেশের দ্বিতীয় চন্দ্র অভিযান, চন্দ্রযান-২-এর দিকে। চন্দ্রযান-২ স্পেসক্রাফটে ছিল তিনটি উপাদান, অরবিটার (‌২,৩৭৯ কেজি, ৮ পোলোডস)‌, ল্যান্ডার বিক্রম (‌১,৪৭১ কেজি, ৪ পেলোডস)‌ এবং রোভার প্রজ্ঞান (‌২৭ কেজি, ২ পেলোডস)‌। চন্দ্র অভিযানের শুরুর দিকটা ভালোই ছিল কিন্তু গত ৭ সেপ্টেম্বর চাঁদের কাছে এসেও চাঁদের মাটিতেই ভেঙে পড়ে বিক্রম এবং টুকরো টুকরো হয়ে যায়। যদিও ইসরোর পক্ষ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর দাবি করা হয় যে বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছে কিন্তু তার প্রমাণ স্বরূপ কোনও ছবি পাওয়া যায় না। ইসরো তাই বিক্রমকে খোঁজার জন্য মার্কিন স্পেস সংস্থা নাসার সাহায্য নেয়। তবে সম্প্রতি চেন্নাইয়ের ৩৩ বছরের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ষণ্মুগ সুব্রহ্ময়ান তিনি বিক্রমের ধ্বংসাবশেষ চাঁদের মাটিতে দেখতে পান এবং নাসার পক্ষ থেকে সেই ছবি প্রকাশ করা হয়।

২০১৯ ফিরে দেখা: কোন 'বিজনেস টাইকুন'রা ছিলেন গোটা বছর খবরে

English summary
Year Ender 2019 : this year memorable for isro
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X