• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    গত ৪ বছরে মোদী সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের কাজের খতিয়ান

    ২৬ শে মে চার বছর পূর্ণ করেছে মোদী সরকার। প্রধানমন্ত্রী মোদি আশা করেছিলেন যে ভারত বিশ্বের মানব সম্পদ মূলধন হতে পারে। ২০১৫ সালে 'স্কিল ইন্ডিয়া মিশন' চালু করার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, 'চিন যদি বিশ্বের উৎপাদনের রাজধানী হিসেবে পরিচিতি পায় তাহলে ভারতও বিশ্বের মানব সম্পদের রাজধানী পরিণত হতে পারে।' এই পথে এগিয়েই মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক বিভিন্ন বৃত্তি প্রকল্প, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করেছে। সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎসাহ দিয়েছে।

    মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের ৪ বছরের কাজ

    উড়ান
    মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৪ সালের নভেম্বরে CBSE এই প্রকল্প চালু করেছিল। স্কুল শিক্ষা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষার মধ্যে যে শিক্ষার ফারাক রয়েছে এবং নামী ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের সংখ্যা কম থাকা এই দুই সমস্যার মোকাবিলা করতে শিক্ষার তিনটি মাত্রা যেমন পাঠ্যক্রম নকশা, লেনদেন এবং মূল্যায়নের দিকে নজর দেওয়া হয়েছিল।

    প্রজেক্টটির মাধ্যমে ১১ ও ১২ ক্লাসে পড়ার সময় অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা ১০০০ জন নির্বাচিত মেধাবী মেয়েকে অঞ্জিবনিয়ারিং পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সহায়তা করা হয়। ফলে টেকনিকাল প্রতিষ্ঠানগুলির প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনেক আত্মবিশ্বাস লাভ করেছে। শনিবার এবং রবিবার করে সারা দেশের ৬৪ টি কেন্দ্রে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের গাইড এবং মূল্যায়ন করা হয়েছে।

    ২০১৭ সালে জুন জেইই(মেইন)-এ ৭৭৭ জন ছাত্রী বসেছিলেন পাশ করেন ৬৩২ জন। ১৩৫ জন জেইই (এডভান্সড)-এর যোগ্যতা অর্জন করে।
    ২০১৭-১৮ সেশনে একাদশ শ্রেনীতে ১০১৯ জন নতুন ছাত্রী ভর্তি করা হয়েছে। ৫১৬ জন আগের বছর থেকেই এই প্রকল্পের আওতায় ছিলেন। তাঁরা একাদশ শ্রেণীতে উন্নীত হয়েছেন।

    ন্যাশনাল মিনস কাম মেরিট স্কলারশিপ স্কিম (এনএমএমএস):

    ২০১৪-১৫ থেকে ২০১৬-১৭ -এর মধ্যে ৩.৮১ লাখ বৃত্তি অনুমোদন করা হয়েছে। ২০১৭-১৮ এখনও পর্যন্ত ৪.১৩ লক্ষ বৃত্তি অনুমোদন করা হয়েছে।

    ন্যাশনাল স্কিম অব ইনসেনটিভ টু গার্লস ফর সেকেন্ডারি স্কলারশিপ (এনএসআইজেএসই):
    ২০১৪-১৫ থেকে ২০১৬-১৭ -এর মধ্যে ৯.৭১ লাখ ছাত্রীকে ইনসেনটিভ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে মেয়েদের ৯.৭৩ লাখ টাকা ইনসেনটিভ দেওয়া হয়েছে।

    সর্বশিক্ষা অভিযান:
    বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ২২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এসএসএ অধীনে ২০১৬-১৭ জন্য রিভাইস্ড এস্টিমেট ছিল ২২৫০০ কোটি টাকা। এর 96.35% ব্যয় করা হয়। ২০১৭-১৮ জন্য বরাদ্দ রিভাইস্ড এস্টিমেট ২৩,৫০০ কোটি টাকা। ২৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে এর ৮২.২১% খরচ হয়েছে। ২০১৮-১৯ এর জন্য এই খাতে বাজেট এস্টিমেট ১১.২ শতাংশ বাড়িয়ে ২৬২৮.৮১ কোটি টাকা করা হয়েছে।

    ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিক ডিপোজিটরি (এনএডি):
    ২০১৭ সালে চালু হয়েছে এই প্রকল্প। সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরির ধাঁচে স্কুল শিক্ষার সার্টিফিকেট, ডিগ্রি এবং অন্যান্য উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত অ্যাকাডেমিক পুরষ্কারের জন্য একটি ডিজিটাল ডিপোজিটরি গড়ে তোলাই এর লক্ষ্য। এর ফলে যেকোনও সময়ে স্কুল শিক্ষা বোর্ড এবং উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট, ডিপ্লোমা, ডিগ্রি, মার্ক শিট ইত্যাদি তথ্য মেলে।

    ২০১৮-র ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে, প্রায় ৯১.০৩ লক্ষ অ্যাকাডেমিক পুরষ্কার এই প্রকল্পে নথিভূক্ত হয়েছে। স্কুল বোর্ড সহ প্রায় ৩৩০ টি অ্যাকাডেমিক প্রতিষ্ঠান এনএডি-র আওতায় এসেছে। এবং প্রায় ৩০,০০০ শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে এনএডি-তে নিবন্ধিত হয়েছে।

    স্বচ্ছ বিদ্যালয়:
    ২০১৪-র ১৫ আগস্ট, প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারতের আহ্বান জানিয়েছিলেন। এরই পেশ ধরে স্কুল শিক্ষা দপ্তর এক বছরের মধ্যে প্রতিটি বিদ্যালয়ে মেয়েদের ও ছেলেমেয়েদের জন্য পৃথক শৌচাগার নির্মাণ ও মেরামত করার উদ্যোগ নেয়।
    ২,৬১,৪০০ টি সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪,১৭,৭৯৬ টি টয়লেট গড়ে সে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা গেছে। সরকারি, বেসরকারী ও কর্পোরেট সেক্টরের যৌথ প্রচেষ্টা এবং ব্যক্তিগত অবদানসমূহের সমন্বয়ে এই কাজ করা সম্ভব হয়েছে। অতিবামপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী অধ্য়ুসিত এলাকা থেকে বনাঞ্চলের বা সুদূর পাহাড়ী এলাকার মতো দেশের দুর্গম এলাকাগুলিতেও এ প্রকল্প পৌছে গিয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের ১১.২১ লাখ সরকারি স্কুলে ১৩.৭৭ কোটি শিশু এখন টয়লেটের সুবিধা পেয়েছে।

    বৃত্তি:
    এআইসিটিই-র রেকর্ড অনুযায়ী, মোট ২৯২.৫০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে ১১,৮৬২ জন গেট পাস করে এম. টেক-এর ছাত্রছাত্রীকে। উপরন্তু, নায্শনাল ডক্টরাল ফেলোশিপ স্কিমে দেওয়া হয়েছে ২.৬১ লক্ষ টাকা। সবমিলিয়ে গত তিন বছরে, গেট কোয়ালিফায়েড এম. টেক-এর শিক্ষার্থীদের ১০৭৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    নতুন আইআইটি:
    জম্মু, ভিলাই, গোয়া, ধারওয়াড়, তিরুপতি এবং পালাক্কাড়ে ছয়টি নতুন আইআইটি তৈরি হয়েছে। আইএসএম ধানবাদ-কেও আইআইটি রূপান্তরিত করা হয়েছে।

    ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইআইএসইআর):
    ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পরিষদের সুপারিশে, ভারত সরকার প্রাথমিকভাবে পাঁচটি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (আইআইএসইআর) প্রতিষ্ঠা করেছিল। ২০০৬-এ পুণে ও কলকাতাতে, ২০০৭-এ মোহালিতে ও ২০০৮-এ ভোপাল এবং তিরুবনন্তপুরমে এই ইনস্টিটিউটগুলি স্থাপিত হয়। আইআইএসইআরএস-গুলি, ২০০৭ সালের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস টেকনোলজি, সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এনআইটিএসইআর) অ্যাক্ট, অনুযায়ী ইনস্টিটিউট অব ন্যাশনাল ইমপর্ট্যান্স (এনআইআই) হিসাবে ঘোষিত হয়, যেগুলি সময়ে সময়ে সংশোধিত হয় এবং এই আইনের বিধান অনুযায়ী এগুলি নিজ নিজ গভর্নরদের বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হয়। ।

    অর্জন:
    ২০১৫: ২০২৪-র অন্ধ্রপ্রদেশ রি-অর্গানাইজেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্য এবং তেলঙ্গানা ভাগ হওয়ার পর অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপতিতে একটি নতুন আইআইএসইআর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১০.০৮.২০১৫ তারিখে আইআইএসইআর তিরুপতি তার অস্থায়ী / ট্রানজিট ক্যাম্পাস থেকে কাজ শুরু করেছে।

    ২০১৬: একইভাবে, উড়িষ্যার বেরহমপুরে ২০১৬-য় তার অস্থায়ী / ট্রানজিট ক্যাম্পাস থেকে চলা শুরু করে আরেকটি আইআইএসইআর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই দুই আইআইএসইআরআর এআইটিএসইআর এর অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দেয়।

    নতুন আইআইএম:
    ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে পাঞ্জাবের অমৃতসর, বিহারের বোধ গয়া, মহারাষ্ট্রের নাগপুর, ওড়িশার সম্বলপুর, হিমাচল প্রদেশের সিরমুর এবং অন্ধ্রপ্রদেশের বিশখাপত্তনম-এ মোট ছয়টি আইআইএম চালু হয়। ওই বছর থেকেই অস্থায়ী ক্যাম্পাস থেকে তাদের অ্যাকাডেমিক সেশনও শুরু হয়। এইচআরডি মন্ত্রক অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালানো ও স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য প্রতিটি ইনস্টিটিউটকে ৭৯ কোটি টাকা করে তহবিল দিয়েছে।

    ২০১৬ সাল থেকে আইআইএম লক্ষ্ণৌ-এর তত্ত্বাবধানে আইআইএম জম্মু-ও প্রথম অ্যাকাডেমিক অধিবেশন শুরু করেছে। জম্মুর ক্যানাল রোডের পুরোনো গভর্নমেন্ট কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির ভবনেই অস্থায়ী / ট্রানজিট ক্যাম্পাস গড়া হয়েছে। প্রথম বছর ৫৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন। প্রতিটি ইনস্টিটিউটকে ৬১.৯ কোটি টাকা করে দেওয়া হয়েছে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ ও প্রাথমিক বছরগুলিতে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য।

    গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অব অ্যাকাডেমিক নেটওয়ার্কস (জিআইএএন):
    ২০১৫-র ৩০ নভেম্বর এটি চালু হয়েছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষা দেওয়ার জন্য সারা বিশ্বের নামী প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, উদ্যোহপতি, বিজ্ঞানী, বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

    এখন পর্যন্ত অনুমোদিত কোর্সের সংখ্যা: ১৪১৭
    ইতিমধ্যে সংগঠিত কোর্স: ১০৩৭
    হোস্ট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৩৮

    স্টাবি ওয়েবস অব অ্যাকটিভ লার্নিং ফর ইয়ং অ্যাসপায়ারিং মাইন্ড (এসডব্লুএওয়াইএএম): এইচআরডি মন্ত্রক-এর এই উদ্যোগে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ব্যবহার করে অনলাইন কোর্সগুলিকে একক প্ল্যাটফর্ম এবং পোর্টালে আনা হয়েছে। এতে সমস্ত উচ্চশিক্ষা বিষয় এবং দক্ষতা বিষয়ক কোর্স রয়েছে। এখন পর্যন্ত, ২৮ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী এসডব্লুএওয়াইএএম-এর আওতায় পরিচালিত এক হাজারেরও বেশি এসওওসি-এর কোর্সে ভর্তি হয়েছে।

    ন্যাশনাল ডিজিটাল লাইব্রেরী (এনডিএল):
    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষাদানের জাতীয় মিশনের অধীনে, এইচআরডির উদ্যোগে জাতীয় ডিজিটাল লাইব্রেরি অব ইন্ডিয়া (এনডিএল ইন্ডিয়া) প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। সিঙ্গল উইন্ডো সার্চ ফেসিলিটির সুবিধা-সহ লার্ণিং রিসোর্সগুলির একটি ভার্চুয়াল রিপোজিটরির কাঠামো গড়া হয়েছে। এতে দেড় কোটি ই বই এবং নথি উপলব্ধ। ইংরেজি, হিন্দি এবং অন্য কয়েকটি ভাষার বই পাওয়া যায়। ১৬০ জন কনটেন্টে অবদান রেখেছেন। ব্যবহারকারী 30 লাখ। 9 হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যবহারকারীরা নাম রেজিস্টার করেছেন।

    ন্যাশনাল র‌্যাঙ্কিং ফর হায়ার ইনস্টিটিউশনস: বিশ্বের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির র‌্যাঙ্কিং সিস্টেমে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলি যাতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশগ্রহণ করতে পারে সেকথা মাথায় রেখে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক (এনআইআরএফ) চালু করা হয়েছিল।

    ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক -২018 এর আওতায় ৯ টি মোট ২৮০৯ টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে আছে ৩০১ টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৯০-৬টি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান, ৪৮৭ টি ম্যানেজমেন্ট ইন্সটিটিউট, ২৮৬ টি ফার্মেসি ইনস্টিটিউশন, ৭১ টি ল ইনস্টিটিউশন, ১০১ টি মেডিকেল ইন্সটিটিউট, ৫৯ টি আর্কিটেকচার ইনস্টিটিউশন, এবং ১০৮৭ টি সাধারণ ডিগ্রি কলেজ।

    স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকথন: এই আইটি বিষয়ক উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের পরিস্থিতিতে তাদের শিক্ষা প্রয়োগ করতে এবং দৈনন্দিন সমস্যাগুলির জন্য উদ্ভাবনী সমাধান বের করতে উত্সাহিত করা হয়। স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকথন ২০১৮, ২০১৭-র ১৬ অক্টোবর চালু করা হয়েছিল। সফ্টওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এই দুই উপ-সংস্করণ ছিল। সফ্টওয়্যার প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট প্রতিযোগিতার সময় ছিল ৩৬ ঘন্টা। আর নতুন হার্ডওয়্যার সংস্করণ-এর জন্য সময় দেওয়া হয় ৫ দদিন।
    রিসার্চ অ্যান্ড কোয়ালিটি হায়ার এডুকেশন: এআইসিটিই বর্তমান আর্থিক বছরে রিসার্চ প্রোমোশনাল স্কিমের অধীনে প্রায় ১১.৭৭ কোটি টাকা দিয়েছে। এই স্কিমটির লক্ষ্য প্রতিষ্ঠিত ও নতুন প্রযুক্তির ইঞ্জিনিয়ারিং বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনী গবেষণা। আইআইটি দিল্লি, আইআইটি গুয়াহাটি, আইআইটি কানপুর, আইআইটি হায়দরাবাদ ও আইআইএসসি ব্যাঙ্গালোরের পাঁচটি নতুন গবেষণা পার্কের জন্য 75 কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে ।

    ইমপ্রিন্ট
    ২০১৫-এ ইমপ্রিন্ট, চালু করা হয়েছিল বৃহত সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুফল মিলতে পারে নামী প্রতিষ্ঠানগুলিতে এমন বিষয়ে গবেষণা চালানোর জন্য। স্বাস্থ্যসেবা, শক্তি, টেকসই আবাসস্থল, ন্যানো প্রযুক্তি, হার্ডওয়্যার, জল সম্পদ ও নদী ব্যবস্থা, অ্যাডভান্সড মেটিরিয়ালস, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উত্পাদন, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা, এবং পরিবেশ বিজ্ঞান এবং জলবায়ু পরিবর্তন - এই ১০ টি বিষয় ক্ষেত্র বেছে নেওয়া হয়েছে ইমপ্রিন্টেরর আওতায় গবেষণা চালানোর জন্য। প্রায় ১৪২ টি গবেষণা প্রকল্পের রূপায়ণে ৩২৩.১৬ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

    উচ্চতর আবিষ্কার যোজনা (ইএওয়াই): যেসব উচ্চতর আবিষ্কার সরাসরি ইন্ডাস্ট্রির চাহিদার উপর প্রভাব ফেলে এবং প্রতিযোগিতামূলক ক্ষেত্রে ভারতীয় উৎপাদনের উন্নতি ঘটে সেগুলিকে উৎসাহ দিতে এই প্রকল্প চালু হয়েছে। শিক্ষা জগত এবং শিল্প জগতের মধ্যে মেল বন্ধন ঘটানোর লক্ষ্যে এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। প্রকল্পের সামগ্রিক বার্ষিক বিনিয়োগ সীমিত প্রতি বছর ২৫০ কোটি টাকাতাই সীমিত রাখা হয়।

    এইচআরডি মন্ত্রকের অন্যান্য নতুন উদ্যোগ:
    ১. জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা: দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সব প্রবেশিকা পরীক্ষা পরিচালনার জন্য ২০১৭ সালে একটি স্বায়ত্তশাসিত সমস্থা হিসেবে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) গড়া হয়।
    ২. লিঙ্গ ভারসাম্যে উন্নতি: আইআইটিগুলিতে বি.এ. টেক প্রোগ্রামে মেয়েদের সংখ্যা বাড়ানর লক্ষ্যে, আইআইটি-ম্যান্ডির ডিরেক্টরের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী মেয়েদের আসনের সখ্যা বাডা়নো হবে।
    3. প্রজেক্ট মনিটরিং ইউনিট (পিএমইউ): এম এইচআরডি এর অধীন সকল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসগুলির কার্যকারিতা নিরীক্ষণ করার জন্য, প্রজেক্ট মনিটরিং ইউনিট নির্মাণ করা হয়েছে।

    English summary
    Projects and other works Of HRD department of Modi government in past 4 yeras.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more