• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

"দেশের বিশ্বাসঘাতকের দেহ নেব না" , মৃত জঙ্গির দেহ নিতে অস্বীকার পরিবারের

লখনৌ, ৮ মার্চ : লখনৌ পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত আইএস জঙ্গি সইফুল্লার দেহ নিতে অস্বীকার করল জঙ্গির পরিবার। উত্তরপ্রদেশের কানপুরের বাসিন্দা সইফুল্লার বাবা সরতাজ একথা জানিয়েছেন।

মৃত জঙ্গির বাবা বলেন, " যে দেশের সাথে বিশ্বাসঘাত করে,সে কিছুতেই আমাদের ছেলে হতে পারে না। আমরা ভারতীয় , আমাদের বংশের পূর্বপুরুষরা এখানের বাসিন্দা। যে ভারত বিরোধী সে কিছুতেই আমার ছেলে নয়। আমরা ওর মৃতদেহ কিছুতেই নেব না।"

"দেশের বিশ্বাসঘাতকের দেহ নেব না" , মৃত জঙ্গির দেহ নিতে অস্বীকার পরিবারের

এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মৃত আইএস জঙ্গি সইফুল্লার বাবা সরতাজ জানান, তিনি জানতেন না যে ছেলে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। সইফুল্লার সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ নিয়ে তাঁর কোনও ধারণা ছিল না বলেও তিনি জানান। এদিকে সইফুল্লার পরিবার তার জঙ্গি কার্যকলাপের বিরোধিতা করলেও , সইফুল্লার ২ আত্মীয়কে নাশকতার সঙ্গে জড়িয়ে থাকার দায়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ভারতের মাটিতে ৯ সদস্যের একটি আইএসআইএস মডিউলের সদস্য ছিলেন সইফুল্লা। লখনৌয়ে মঙ্গলবার বিকেল থেকে চলা ১২ ঘণ্টার গুলির লড়াইয়ের পর সইফুল্লাকে এনকাউন্টারে নিকেশ করে পুলিশ।

English summary
The body of Saifullah, the young man shot dead in an anti-terror operation near Lucknow yesterday, was refused by his father, Sartaj, who lives in Kanpur."A traitor can't be our son. We are Indians, we were born here, our forefathers were born here. One who indulges in anti-national activities can't be our son... we won't accept his body," he said to news agency ANI, explaining that he had no idea about his son's enlisting for terror activities.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more