ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

ইমেল পাঠিয়ে পুলিশে ধর্ষণের অভিযোগ মহিলার, সাত বছরের জেল অপরাধী মামার

  • By OneIndia Bengali Digital Desk
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    অমৃতসর, ৬ মে : ইংল্যান্ড থেকে ইমেল পাঠিয়ে নিজের মামার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়র করেছিলেন এক মহিলা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ৫ মে মামলা রুজু করে পুলিশ। সেইমতো সবদিক বিচার করে দু'বছর মামলা চলার পরে অভিযুক্তকে ধর্ষণের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে আদালত। [স্কুলের মধ্যেই নবম শ্রেণির ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ শিক্ষকের!]

    জানা গিয়েছে, নিগৃহীতা মহিলার বয়স ৩৬। পড়াশোনা করার জন্য তিনি মাত্র ৯ বছর বয়সে ভারতে আসেন। এদেশে এসে বেশ কিছুবছর অমৃতসরের রানি বাগ এলাকায় মামার বাড়িতে ছিলেন। সেখানেই দিনের পর দিন সুখবন্ত সিং সিধু (৬০) নামে ওই ব্যক্তি তাঁকে শারীরিক নির্য়াতন করেছেন, ধর্ষণ করেছেন। [চিকিৎসাধীন ধর্ষিতা কিশোরীকে হাসপাতালেই ফের ধর্ষণ]

    ইমেল পাঠিয়ে পুলিশে ধর্ষণের অভিযোগ মহিলার, ৭ বছরের জেল মামার

    মাত্র ৯ বছর বয়স থেকেই নিগৃহীতা মহিলাকে শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। ভয়ে ও সম্মান খোয়ানোর লজ্জায় কাউকে সেইসময়ে কিছুই বলতে পারেননি তিনি। বহুবছর এভাবেই সবকিছু সহ্য করে তিনি এমবিবিএস পাশ করেন। [অপহৃত যুবতীকে আটকে রেখে ১৩ দিন ধরে গণধর্ষণ]

    এরপরে পেশার খাতিরে তিনি লন্ডনে চলে যান। সেখানে গিয়ে ইমেলে পাঞ্জাবের পুলিশ সুপারের কাছে গোটা বিষয়টি জানিয়ে ইমেল করেন তিনি। ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করে পুলিশ। ২০১৪ সালেরই ৭ জুলাই অভিযুক্ত সুখবন্ত সিংকে গ্রেফতার করা হয়। [মায়ের নির্দেশে কিশোরী বোনকে ধর্ষণ দাদার]

    পরে সে জামিনে ছাড়া পেলেও মামলা চলতে থাকে। এর মাঝে লন্ডন থেকে নিজের মা-কে সঙ্গে নিয়ে ভারতে এসে আদালতে গিয়ে নিজের বয়ানও রেকর্ড করে দিয়ে যান নিগৃহীতা মহিলা। সেইমতো বিচার চালিয়ে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত।

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more