• search

পুত্র সন্তান পেতে ভাইয়ের সঙ্গে সহবাসে চাপ, স্বামীকে খুন স্ত্রীর

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    নয়াদিল্লি, ২৬ মার্চ : ভাইয়ের সঙ্গে সহবাসের জন্য চাপ দেওয়া ও দিনের পর দিন শারীরিক নির্যাতন সইতে না পেরে ভাইকে সঙ্গে নিয়ে নিজের স্বামীকে খুন করল এক মহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লিতে। ঘটনায় মহিলা ও তার ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মহিলা জেরায় জানিয়েছে, দিনের পর দিন স্বামীর হাতে অত্যাচারিত হতে হতো তাকে। মরধর এমনকী লোক দিয়ে গণধর্ষণ ও পতিতাপল্লিতে তাকে বেচে দেওয়ার কথা বলত স্বামী। কারণ একটাই, মহিলা পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে পারেননি। এজন্য বহুবার গর্ভপাতও করাতে হয়েছে তার।

    ভাইয়ের সঙ্গে সহবাসে চাপ, স্বামীকে খুন স্ত্রীর

    এই ঘটনা বহুদিন চলার পরে অসহ্য হয়ে স্বামীকে খুন করার পরিকল্পনা করে মহিলা। রাতে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। স্বামী ঘুমিয়ে পড়লে তাকে খুন করে পরের দিন সকালে পুলিশ ডাকে।

    পুলিশ আসলে মহিলা গল্প ফাঁদে। জানায়, স্বামীর দুজন বন্ধু এসেছিল। তারা রাতে খেয়ে একই ঘরে শোয়। মহিলা তার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে পাশের ঘরে শোয়। সকালে উঠে দেখে দরজা বাইরে থেকে আটকানো ও স্বামীর মরদেহ পড়ে রয়েছে।

    এই ঘটনা শোনার পরে পুলিশ সেই অনুযায়ী তদন্ত শুরু করে। এলাকার সিসিটিভি ফুটে দেখে মহিলার বলা কথায় পুলিশের সন্দেহ হয়। এরপরই জেরায় মহিলা ভেঙে পড়ে জানান, তিনি ও তার ভাই মিলে স্বামীকে খুন করেছেন।

    মহিলা জানিয়েছেন, ১৮ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। ২০১০ সালে একটি মেয়ে হয়। তার আগে একটি মেয়ে হয়েছিল যে মারা যায়। পরে যতবার পেটে সন্তান এসেছে ততবার লিঙ্গ পরীক্ষা করিয়ে মেয়ে বলে গর্ভপাত করানো হয়েছে। মহিলার ভাই জামাইবাবুর কাছে কাজ করত। তাকে দিয়েই পুত্র সন্তানের ছক কষেছিল ওই ব্যক্তি। সেই ঘটনাই সহ্য করতে না পেরে নিজের স্বামীকে খুন করেছে মহিলা।

    English summary
    Woman kills husband who forced her to sleep with her brother for a male child

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more