মুম্বইয়ে যাওয়াই কাল হল তরুণীর! ধর্ষণের শিকার হলেন মহিলা, গ্রেফতার অটো চালক
বর্তমানে ধর্ষণ মামলায় শাস্তি দিতে বেশি সময় নিচ্ছে না কোনও আদালতই। ৬০ দিন কিংবা ৭০ দিনের মধ্যেই ধর্ষণের মামলায় সাজা ঘোষণা হয়ে যাচ্ছে। শেষ কয়েকটি মামলায় দেখা গিয়েছে প্রত্যেকটিতেই ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি পেয়েছে অভিযুক্ত।
শুধুমাত্র আরজি কর মামলায় মূল দোষী সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে নিম্ন আদালত। যা নিয়ে কম ঝড় ওঠেনি এরাজ্যে। কিন্তু এতকিছুর পরেও সমাজ বদলাচ্ছে কোথায়? ধর্ষণের মত ভয়ঙ্কর ঘটনা থামছে না কোনও ভাবেই।

ফের একবার ভয়ঙ্কর ধর্ষণের শিকার হল এক ২০ বছর বয়সী তরুণী। মুম্বই পুলিশ সম্প্রতি ২০ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণ এবং তার গোপনাঙ্গে অস্ত্রোপচারের ব্লেড ও পাথর ঢোকানোর অভিযোগে এক অটোরিক্সা চালককে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিতা তরুণী মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলার নালাসোপাড়ার বাসিন্দা। মঙ্গলবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের গোরেগাঁওয়ের রাম মন্দির রেলস্টেশনের কাছে তরুণীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
নির্যাতিতা জানিয়েছেন, তিনি ওই দিন সকালে মুম্বইয়ের উদ্দেশ্যে ট্রেনে রওনা হন। মনে করা হচ্ছে, ভাসাই সৈকতে অভিযুক্ত অটোচালক তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তরুণী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন এবং অভিযোগ জানান।
পুলিশ তরুণীর অবস্থা দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে তার মেডিক্যাল পরীক্ষা হয়। সেখান থেকেই জানা যায় যে, অস্ত্রোপচারের ব্লেড ও পাথর জোর করে তার গোপনাঙ্গে ঢোকানো হয়েছিল। চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এগুলো বের করেন। বর্তমানে তরুণী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তল্লাশির পর শুক্রবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে আপাতত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তাঁকে ক্রমাগত জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক তথ্য সামনে আসবে। আর তরুণীও খানিকটা সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁর কাছ থেকেও বেশ কিছু তথ্য মিলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications