• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

গাড়ি থেকে বের করে মা ও নাবালিকা মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ

  • By Oneindia Bengali Digital Desk
  • |

নয়ডা, ৩১ জুলাই : নয়ডার বাসিন্দা এক মহিলা ও তাঁর নাবালিকা ১৪ বছরের মেয়েকে জোর করে গাড়ি থেকে বের করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল পাঁচ দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লি থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে। [ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে গ্রেফতার টালিগঞ্জের অভিনেতা-চিত্রগ্রাহক]

নয়ডা থেকে শুক্রবার রাতে মহিলা ও তাঁর পরিবার শাহজাহানপুরে যাচ্ছিলেন। বুলন্দশহরে ঢোকার পরই তাদের গাড়ি কিছুতে ধাক্কা খায়। ফলে গাড়ি থামাতে হয়। তখনই পাঁচ জনের একটি দুষ্কৃতী দল তাদের গাড়ি থেকে বের করে মাঠে নিয়ে গিয়ে টাকা-পয়সা ও গয়না লুঠ করে। [একই ধর্ষকদের হাতে তিন বছর পর ফের গণধর্ষিতা দলিত যুবতী]

গাড়ি থেকে বের করে মা ও নাবালিকা মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ

অভিযোগ, এরপরই দুষ্কৃতীরা পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে দিয়ে মহিলা ও তাঁর নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করে। তারপরে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। [দত্তক নেওয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে]

জানা গিয়েছে, পরিবারের এক সদস্য দড়ি বাঁধা অবস্থায় নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে পারায় তিনি গিয়ে পরের দিন অর্থাৎ শনিবার সকালে পুলিশে খবর দেন। যে হাইওয়েতে ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে একশো মিটারের মধ্য়ে পুলিশের গাড়ি ছিল। কিন্তু ঘটনা ঘুণাক্ষরেও টের পাওয়া যায়নি। [হাসপাতালে ধর্ষিতা দিদিকে দেখতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী]

যে হাইওয়েতে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি দিল্লি ও কানপুরের সংযোগকারী রাস্তা। সবসময় এখানে পুলিশ টহল দেয়। ঘটনার পর এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। সেজন্য এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিশেষ পুলিশের দল তৈরি করে তদন্ত চলছে বলেও জানা গিয়েছে।

English summary
Woman, teen daughter dragged from car, raped near highway in Uttar Pradesh
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more