রক্ষকই ভক্ষক! থানার ভিতরে পুলিশ আধিকারিকের হাতেই ধর্ষিতা হলেন এক মহিলা,সেই উত্তরপ্রদেশেই

সোমবার রাতে স্বামীকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়ার আকুতি নিয়ে থানায় গিয়েছিলেন ওই মহিলা। তাঁর স্বামীর কাছ থেকে দেশীয় একটি পিস্তল উদ্ধার হওয়ায় তাঁকে উঠিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপরই সুমেরপুর থানায় ছুটে যান ওই মহিলা। অভিযোগ স্বামীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য ওই মহিলার কাছ থেকে ঘুষের টাকা চায় অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার। টাকা দিতে স্বীকার করেন ওই মহিলা।
ঘুষের টাকা চাওয়ার পরেও না দেওয়ায় রাগে ওই মহিলাকে আক্রমণ করেন থানার স্টেশন হাউজ অফিসার রাহুল পান্ডে। ওই সময়ে থানার ভিতর ৩ জন কনস্টেবল কর্তব্যরত ছিল। কিন্তু চাকরি বাঁচাতে বরিষ্ঠ পুলিশ আধিকারিকের এই অপকর্মের কোনও প্রতিবাদ করেনি তারা। উপরন্তু সামনে উপস্থিত থেকে পুরো ঘটনাটার সাক্ষী থেকেছে।
এই ঘটনায় ওই এসএইচও-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং অভিযুক্ত ৩ কনস্টেবলকে সরানো হয়েছে।
একের পর এক গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা প্রশ্নের মুখে। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশের বাদৌনে দুই দলিত বোনেকে অপহরণের পর গণধর্ষণ ও জীবন্ত অবস্থায় গাছে টাঙিয়ে খুন করার ঘটনা আন্তর্জাতিক স্তরেও পৌছে যায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এরপর একে একে আজমগড়, আইথপুরা, ইটাহ, আলিগড় একের পর এক ধ৪,ণের ঘটনা সামনে আসতে থাকে। মঙ্গলবার রাতে বাহারাইচে ফের এক মহিলাকে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ওি মহিলার পরিবারের অভিযোগ গাছে ঝোলানোর আগে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল।
এর পরে অবশ্য ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে ৩৬ জন আইএএস অফিসারকে বদলি করেন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব।












Click it and Unblock the Notifications