• search

'২৫ বছরের আগে বিয়ে নয়' কেন একথা বলছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    '২৫ বছরের আগে বিয়ে নয়' কেন একথা বলছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী
    পাটনা, ১৪ অক্টোবর : ছেলে ও মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেউ বিবাহের বয়স সীমা বাড়িয়ে ২৫ বছর করার পক্ষে সওয়াল করলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জিনতরাম মঞ্ঝি। কিন্তু কেন এই মত তাঁর? তাঁর কথায়, হিন্দু দর্শন মতে আশ্রম ঘরানায় সুস্বাস্থ্য এবং অপুষ্টি দূরীকরণে এই পন্থা গ্রহণ করা হত।

    বর্তমানে আইনত বিয়ের ক্ষেত্রে ভারতীয় পুরুষদের ন্যুনতম বয়স হওয়া উচিত ২১ এবং মহিলাদের বয়স ১৮। কিন্তু বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, "আমি মনে করি ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই বিয়ের বয়স বাড়িয়ে ন্যুনতম ২৫ বছর করা উচিত। ঠিক যেমনটা প্রাচীন আশ্রম ব্যবস্থায় হত।"

    এই মন্তব্যের পিছনে তাঁর যুক্তি, "গর্ভবতী মহিলা ও সদ্যোজাতদের মধ্যে অপুষ্টির যে সমস্যা রয়েছে সে সমস্যার সমাধান হবে।"

    জিতনরাম যে আশ্রম ব্যবস্থার কথা বলছেন, তা অনুযায়ী, প্রত্যেকের জীবনকে ৪ ভাগে ভাগ করা হত। প্রথম ছিল 'ব্রহ্মতর্য'। অর্থাৎ ২৪ বছর পর্যন্ত ব্রহ্মচারীর জীবন পালন করতে হত। দ্বিতীয় ধাপ ছিল 'গার্হস্থ'। ২৪ বছর থেকে ৪৮ বছর পর্যন্ত ছিল বিবাহের পর গৃহস্থ জীবন পালন করতে হত। এর পরের ধাপ ছিল 'বাণপ্রস্থ'। অর্থাৎ ৪৮ থেকে ৭২ বছর পর্যন্ত বনে বনে জীবন কাটাতে হত। সর্বশেষ ধাপটি ছিল 'সন্ন্যাস'। ৭২ থেকে আমৃত্যু সন্ন্যাস জীবন পালন করতে হত।

    জিতন রাম মঞ্ঝির কথায়, আগেকার দিনে সাধারণ মানুষের গড় উচ্চতা ছিল ৭ ফুট। এখন কেন তা ৫ ফুটে নেমে এসেছে? এই প্রশ্নও ছুঁড়ে দেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, এখন ছেলেমেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যায়। ২৫ বছরের মধ্যে ৩-৪টি সন্তানও হয়ে যায়। ফলে সন্তান ও মায়ের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ে। ফলে অপুষ্টি অন্যান্য রোগ, অসুস্থতা বৃদ্ধি পায়। এই ধরণের সমস্যা আটকাতে গেলে ছেলেমেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    English summary
    Why This Chief Minister Says 'Don't Marry Before 25'

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more