বর্ষার খামখেয়ালিপনায় কতটা প্রভাবিত আইএমডির পূর্বাভাস ! একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১৮৮৬ সাল থেকে ১০০ বছর ধরে কার্যত আবহাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দারুণ নিপুণতায় পরিবশন করে আসছে আইএমডি। ইউকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু আবহাওয়া সংক্রান্ত স্টেশন থাকলেও, তা আইএমডির নিপুণতাকে টেকাক দিতে পারে না। তবে ২০২১ সালের বর্ষার খামখেয়ালিপনা কার্যত বিপর্যস্ত করে দিয়েছে আইএমডিকে!

বর্ষার আগমনে বিভিন্ন পূর্বাভাস
৩০ মে সকালে আইএমডির তরফে বলা হয়েছিল যে ৩১ মে কেরলে বৃষ্টিপাতের হাত ধরে বর্ষা শুরু হবে। তব ৩১ মে তা না হওয়ায় সেই দিন বিকেলে বলা হয় যে ৩ জুন বর্ষা ঢুকবে কেরলে। এরপর ১২ জুনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল যে আগাী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঞ্জাব , হরিয়ানা সহ পূর্ব উত্তরপ্রদশ, হরিয়ানাতে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত দিল্লি সহ উত্তর ভারতের একাধিক রাজ্য বর্ষার অপেক্ষায়।

কোন পদ্ধতিতে পূর্বাভাস পরিমাপ করা হয়?
দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর চার মাসের গতিবিধি ' দীর্ঘকালীন পূর্বাভাস' এ রের্ড করে আইএমডি। ১৯৮০ সাল থেকে এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছে স্যাটেলাইট। কিছু হাতে কলমে তথ্য প্রয়োজন হয়, যা ৫০ থেকে ৬০ বছরের পুরনো তথ্যকে নিয়ে তৈরি হয়। তবে 'কো রিলেশন' গত পরিসংখ্যানে গিয়ে লেগে যাচ্ছে ধাক্কা। এই পরিমাপে ১৬ টি মানদণ্ড চাই। তবে যতবেশি সংখ্যা ঢুকছে বিভ্রান্তি ততই ছড়াচ্ছে।

কোন স্ট্র্যাটেজিতে এগোচ্ছে আইএমডি?
জানা গিয়েছে টু স্টেজ ফোরকাস্টিং স্ট্র্যাটেজিতে আইএমডি নিজের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখাচ্ছে। এটি পরিসংখ্যানগত পূর্বাভাসের ক্ষেত্রে কার্যকরী। বিশেষত ন্যাশনাল মুন মিশনের হাত ধরে এই স্ট্র্যাটেজি কার্যকরী হয়েছে আরও বেশি। তবে এত পোক্ত ব্যবস্থাপনার পরও বর্ষার খামখেয়ালিপনার জেরে বহুবার আইএমডির পূর্বাভাস মেলেনি।

কেন আইএমডির বর্ষার পূর্বাভাস প্রয়োজনীয়
প্রসঙ্গত, ভারত কৃষি প্রধান দেশ। আর এই দেশে কৃষিকাজের একটা বড় অংশ নির্ভর করে থাকে। আর তাঁরা তাকিয়ে থাকেন বর্ষা নিয়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাসের দিকে। শুধু কৃষিকাজই নয়, মৎসজীবীরা সমুদ্রে যাবেন কি না তার জন্যও আবহাওয়ার খবরের উপরে নির্ভর করেন। বর্তমানে তাঁদের কাছে এসএমএসর মাধ্যমেও আবহাওয়া সংক্রান্ত খবর পৌঁছে দেওয়া হয়। তবে বহু পরিকাঠামো উন্নয়নের পরও পূর্বাভাসের কিছু অদলবদলে প্রভাবিত হচ্ছে বহু দিক।












Click it and Unblock the Notifications