• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts
Oneindia App Download

কেন শ্রদ্ধাকে খুন করল আফতাব?‌ পূর্ব পরিকল্পনা নাকি অন্য কিছু?‌ একের পর এক জট খুলছে পুলিশ

Google Oneindia Bengali News

দিল্লির নৃশংশ হত্যাকাণ্ড গোটা দেশকে হতবাক করেছে। ২৮ বছরের আফতাব আমিন পুনা-ইন পুনাওয়ালা যে তার লিভ-ইন পার্টনার ২৭ বছরের শ্রদ্ধাকে তাদের দক্ষিণ দিল্লির ফ্ল্যাটে খুন করে তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করে তা শহরজুড়ে ফেলে দেয়। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সোমবার জানিয়েছে যে আফতাব ও শ্রদ্ধার দেখা হয়েছিল ২০১৯ সালে একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে মহারাষ্ট্রের ভাসাইতে।

কেন শ্রদ্ধাকে খুন করল আফতাব?‌

পুলিশ জানিয়েছে, শ্রদ্ধা ও আফতাব দু'‌জনেই মুম্বইয়ের ডেকাথেলনে কাজ করত এবং ওই বছরের শেষে সেখানে কাজ ছেড়ে ভাসাইতে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। যদিও তাদের সম্পর্ক নিয়ে দুই পরিবারের তীব্র আপত্তি ছিল। এরপর তারা মুম্বইয়ের কল সেন্টারেই কাজ শুরু করে। এই বছরের মার্চ-এপ্রিলে শ্রদ্ধা ও আফতাব হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড ঘুরতে গিয়েছিল, এখান থেকে ফিরে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে তারা দিল্লিতে চলে আসে। দিল্লিতে আসার পর এই জুটি প্রথমে এক বন্ধুর বাড়িতে থাকছিল এরপর তারা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর পাহাড়িতে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে ১৫ মে থেকে থাকতে শুরু করে।

১৮ মে পুনাওয়ালা শ্রদ্ধা ওয়াকারকে খুন করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার পুলিশের (‌দক্ষিণ)‌ অঙ্কিত চৌরান জানান যে জেরায় পুনাওয়ালা শ্রদ্ধাকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে। খুনের কারণ হিসাবে সে জানিয়েছে যে শ্রদ্ধা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল। তবে শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়াকার মুম্বইতে করা এফআইআরে জানিয়েছে যে ২০১৯ সালে মুম্বইতে একসঙ্গে কাজ করার সময় এই দু'‌জনের পরিচয় হয়। শ্রদ্ধার বাবা এও অভিযোগ করেন যে তাঁর মেয়ে পুনাওয়ালাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল, কিন্তু তাঁরা ভিন ধর্মে বিয়ের বিপক্ষে ছিলেন, যার জন্য শ্রদ্ধা নিজের বাড়ি ছেড়ে দেন। শ্রদ্ধা ও আফতাবের এক বন্ধু এও দাবী করেন যে এই সম্পর্ক দুই পরিবার কখনই মেনে নেয়নি। তখন থেকে তাদের সম্পর্কে চিড় ধরেছিল। এমনকী শ্রদ্ধা তাঁর বাবার সঙ্গেও কথা বলতেন না।

এই জুটির দিল্লির এক বন্ধু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, '‌তাদের ডেটিংয়ের আট-নয়মাস কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু দুই পরিবারের পক্ষ থেকে যখন এই সম্পর্ক নিয়ে আপত্তি শুরু হয়, কারণ তাদের দু'‌জনের ধর্ম আলাদা, সেই সময় থেকে শ্রদ্ধা ও আফতাবের মধ্যেও প্রায়ই ঝামেলা হতে দেখা যেত। এমনকী তারা যে সময় দিল্লিতে চলে আসে ততদিনে তাদের সম্পর্কে তিক্ততা চলে এসেছে, উভয়ই একে-অপরের থেকে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিল।'‌ আরও এক বন্ধুর মতে, তারা যখন দিল্লি চলে আসে, তাদের কাছে কোনও চাকরিও ছিল না। হয়ত আর্থিক পরিস্থিতি তাদের সম্পর্ককে খারাপ করে দিয়েছিল।

English summary
The police are investigating what was the motive of accuse behind the murder of the live-in partner
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X