• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতির মুখে গোটা দেশ, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের! কেন বাড়ছে পাইকারি মূল্যসূচক?

  • |

করোনাকালীন মন্দার মাঝেই লাগামছাড়া মুদ্রাস্ফীতির দোরগড়ায় গোটা দেশ। এমনকী বর্তমানে পাইকারি মূল্যসূচক বা ডাবলুপিআই যেখানে দাঁড়িয়েছে তা হার মানিয়ে দিয়েছে অতীতের সমস্ত রেকর্ডকেই। গত মার্চেও যা ছিল ৭.৩৯ শতাংশ তা এপ্রিলে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০.৪৯ শতাংশ। আর তাতেই মাথায় হাত আম জনতার। যদিও এর জন্য পেট্রোপণ্যের লাগাম ছাড়া মূল্যবৃদ্ধিকেই কাঠগড়ায় তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভাঙছে অতীতের রেকর্ড

ভাঙছে অতীতের রেকর্ড

এদিকে গত বছর মার্চে দেশে পাইকারি মূল্যসূচক দাঁড়িয়েছিল ০.৪২ শতাংশে। যা চলতি বছরে একলাফে ৭.৩৯ শতাংশে পৌঁছায়। অন্যদিকে গত বছরের এপ্রিলে এই হার ছিল - ১.৫৭ শতাংশ। তাই বর্তমানে ১০.৪৯ শতাংশে পৌঁছেছে। এদিকে চলতি বছরের শুরু থেকেই একটানা পেট্রোল-ডিজেলের দাম চড়তে থাকাতেই পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে।

চলতি বছরের শুরু থেকেই দেখা দিয়েছিল অশনিসংকেত

চলতি বছরের শুরু থেকেই দেখা দিয়েছিল অশনিসংকেত

এমনকী চলত বছরের ফেব্রুয়ারিতেই ডাবলুপিআই ছিব ৪.১৭%। জানুয়ারিতে তা ছিল ২.৫১%। গত বছর জানুয়ারিতে এই পরিসংখ্যান ছিল আবার ২.০৩%। এদিকে অর্থনীতিবিদের মতে, মুদ্রাস্ফীতির অবশ্যম্ভাবী প্রভাব পড়বে পাইকারি বাজারে। যার জেরেই আকাশ ছোঁয়া হচ্ছে শাক-সব্জির দাম। কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও চওড়া হচ্ছে মধ্যবিত্তের।

 লকডাউনের কারণেও মুদ্রাস্ফীতি ?

লকডাউনের কারণেও মুদ্রাস্ফীতি ?

অন্যদিকে পেট্রোপ্যণের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি পাইকারি মুদ্রাসূচক বৃদ্ধির জন্য করোনার লাগামছাড়া বৃদ্ধিকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন অনেকে। করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্যই এপ্রিল থেকেই লকডাউনের রাস্তায় হেঁটেছে একাধিক রাজ্য। আর সেকারণেই বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতি, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। এদিকে এর আগে ২০১২ সালে অক্টোবরে ৭.৪% শতাংশে পৌঁছেছিল মুদ্রাস্ফীতির হার। কিন্তু বর্তমানে দেশের সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল।

English summary
wholesale prices rose sharply in the wake of petroleum inflation
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X