• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

১২৬ বছর আগের শিকাগোতে দেওয়া স্বামী বিবেকানন্দের সেই বক্তৃতার প্রাসঙ্গিকতা কতটা আজকের ভারতে?

১৮৯৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় বক্তব্য রাখেন মনীষী স্বামী বিবেকানন্দ। বিবেকানন্দের সবচেয়ে স্মরণীয় বক্তৃতার মধ্যে এটিকেই আমরা সবাই মনে রাখি। এই বক্তৃতার মাধ্যমেই বিশ্বের দরবারে হিন্দু ধর্মকে তিনি নতুন ভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।

আজও সমান প্রাসঙ্গিক সেই বক্তৃতা

আজও সমান প্রাসঙ্গিক সেই বক্তৃতা

ধর্ম, সংস্কৃতি, সভ্যতা নিয়ে অনেক কিছু বলেছিলেন তিনি। কিন্তু সব চেয়ে বড়ো কথা হল, সে দিন তিনি এমন কিছু বলেছিলেন, যা আজ একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকের পৃথিবীতে সমান প্রাসঙ্গিক।

কী বলেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ?

কী বলেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ?

তিনি বলেছিলেন, 'আমরা শুধু সব ধর্মের প্রতি সহনশীল - তা-ই নয়। আমাদের কাছে সমস্ত ধর্মই সমান সত্যি। পৃথিবীর সমস্ত ধর্মের, সমস্ত জাতির তাড়া খাওয়া মানুষ, শরণাগত মানুষকে আশ্রয় দিয়েছে যে জাতি, আমি সেই জাতির এক জন বলে গৌরববোধ করি। রোমানরা যে বছর ভয়ংকর অত্যাচারে ইজরায়েলের মানুষদের পবিত্র মন্দির ধ্বংস করেন, সে বছরই সে দেশের বহু মানুষ দক্ষিণ ভারতে এসে আশ্রয় নেন। এ কথা আমার বলতে গর্ববোধ হয় যে, সেই সব খাঁটি ইজরায়েলবাসীর বংশধরদের আমরা বুকে করে রেখে দিয়েছি।'

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তাল দেশ

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তাল দেশ

বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত এখন নতুন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিক্ষোভের আগুনে জ্বলছে। নতুন এই আইনের শর্ত, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪ বা তার আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে যে সমস্ত অমুসলিম শরণার্থীরা ভারতে এসেছেন, তাঁদের প্রত্যেককেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ, হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, পারসি বা জৈন ধর্মের যেই লোকেরা ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে থেকে ভারতে বসবাস করেছেন, তারা ভারতের নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন। বিলটি লোকসভায় ৩১১-৮০ ব্যবধানে পাশ হয়। পরে রাজ্যসভায় এটি পাশ হয় ১২৫-৮২ ব্যবধানে। এরপরও বিলটি নিয়ে দেশজুড়ে ক্রমশ বিক্ষোভ চলছে। বেশ কয়েকটি জায়গাতেই তা হিংসার রূপও নিয়েছে।

স্বামী বিবেকানন্দ কি এটা চাইতেন?

স্বামী বিবেকানন্দ কি এটা চাইতেন?

কিন্তু প্রশ্ন বিবেকানন্দের এই ভারতে কী ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন হলে দেওয়া যায়? বিবেকানন্দকে নিজের আদর্শ বলে দাবি করা নরোন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী পারেন না দেশের মানুশকে ফের একবার এক সূত্রে গেঁথে স্বামীজির সেই সংজ্ঞার 'ভারতবর্ষকে' ফিরিয়ে আনতে!

শিকাগো বক্তৃতার সূচনা

শিকাগো বক্তৃতার সূচনা

স্বামী বিবেকানন্দ শিকাগোতে নিজের বক্তৃতা শুরু করে বলেছিলেন, 'হে আমেরিকাবাসী ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ, আজ আপনারা আমাদের যে আন্তরিক ও সাদর অভ্যর্থনা করেছেন, তার উত্তর দেওয়ার জন্য উঠতে গিয়া আমার হৃদয় অনিবর্চনীয় আনন্দে পরিপূর্ণ হয়েছে। পৃথিবীর মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন সন্ন্যাসী-সমাজের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। সর্বধর্মের যিনি প্রসূতি-স্বরূপ,তাঁর নামে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। সকল জাতি ও সম্প্রদায়ের অন্তর্গত কোটি কোটি হিন্দু নরনারীর তরফে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।'

সময় এসেছে

সময় এসেছে

তবে ভারতবর্ষের সম্প্রীতি নিয়ে গর্ববোধ করা বিবেকানন্দ কী আজকের ভআরত কে দেখে খুশি হতেন? আসলে সময় এসেছে যে বিবেকানন্দের বাণী অনুসরণ করে ফের একবার ভারতকে সর্ব ধর্ম সমন্ময়ের পীঠ স্থান হিসাবে গড়ে তোলার। তিনি বলেছিলেন, 'সাম্পদায়িকতা, গোঁড়ামি ও এগুলির ভয়াবহ ফলস্বরূপ ধর্মোন্মত্ততা এই সুন্দর পৃথিবীকে বহুকাল অধিকার করে রেখেছে।' সেই বার্তাকে বোঝার সময় এসেছে আমাদের।

English summary
what is the relevance of swami vivekananda's chicago speech in today's india
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X