• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

উত্তরপ্রদেশ ছাড়াও শ্রম আইন রদ হচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যে! এর অর্থ কী?

কয়েকদিন আগে এক অভাবনীয় সিদ্ধান্তে উত্তরপ্রদেশের প্রায় সব শ্রম আইন বাতিল করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এর জেরে এখন সংস্থাগুলো যেকোনও সময় যেকোনও কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারবে। ধসে পড়া অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সংস্থাগুলোকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এই পদক্ষেপ। তবে তিনটি ক্ষেত্রে শ্রম আইন লাগু থাকবে বলে জানিয়েছে যোগী প্রশাসন।

আর ৭ দিনেই ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াবে ১ লক্ষ!

উত্তরপ্রদেশ সরকারের সিদ্ধান্তে তৈরি বিতর্ক

উত্তরপ্রদেশ সরকারের সিদ্ধান্তে তৈরি বিতর্ক

যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শ্রমিকদের অসুস্থতার সময় এক্স গ্রাশিয়া দিতে হবে। সময় মতো কর্মীদের বেতন দিতে হবে সংস্থাকে। এছাড়া বন্ডেড লেবার কোনও ভাবেই করানো যাবে না কর্মীদেরকে দিয়ে। এই তিনটি ক্ষেত্রে শ্রম আইন আগের মতোই লাগু করা হবে। তবে বাকি ক্ষেত্রে এখন উৎপাদনকারী সংস্থাগুলোর মুক্তহস্ত। উত্তরপ্রদেশ সরকারের এহেন এক সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

আরও যে যে রাজ্যে বাতিল হচ্ছে শ্রম আইন

আরও যে যে রাজ্যে বাতিল হচ্ছে শ্রম আইন

তবে শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাত, রাজস্থান ও পাঞ্জাবের মত কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলি, এবং বিজেডি শাসিত ওড়িশাতেও কিছু বদল আনা হয়েছে শ্রম আইনে। বলা হচ্ছে এই বদলগুলি সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির অর্থনীতি চাঙ্গা করার উদ্দেশ্য আনা হয়েছে।

শ্রম বিষয়টি যৌথ তালিকার অন্তর্ভুক্ত

শ্রম বিষয়টি যৌথ তালিকার অন্তর্ভুক্ত

তবে শ্রম বিষয়টি যৌথ তালিকার অন্তর্ভুক্ত, এবং কেন্দ্র যদি কোনও রাজ্যের জন্য একাধিক আইন তৈরি করে। সেই ক্ষেত্রে একা রাজ্য কী করে এই সব আইন রদ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে? উত্তরপ্রদেশে আপাতত সমস্ত শ্রম আইন স্থগিত করা হয়েছে, এমনকি ন্যূনতম মজুরির আইনও।

করোনা সংকটের আগেই অর্থনীতির মন্দা

করোনা সংকটের আগেই অর্থনীতির মন্দা

করোনা ভাইরাসের সংকটের আগেই, অর্থনীতির মন্দার কারণে মজুরি বৃদ্ধির হার কমছিল। সংগঠিত ও অসংগঠিত মজুরির হারের মধ্যে ফারাক বৃদ্ধি ঘটছিল। আর এখন শ্রম আইন বাতিলের জেরে সংগঠিত শ্রমিকরাও অসংগঠিত শ্রমিকে রূপান্তরিত হবেন কারণ তাঁদের কোনও সামাজিক নিরাপত্তা থাকবে না।

এই আইন বাতিল কোনও ধরনের সংস্কার নয়

এই আইন বাতিল কোনও ধরনের সংস্কার নয়

আক্ষরিক অর্থে এই আইন বাতিল কোনও ধরনের সংস্কার নয়। এর অর্থ স্থিতাবস্থা থেকে বেরিয়ে যাওয়া, সমস্ত শ্রম আইন হঠিয়ে দেওয়ার অর্থ হল শ্রমিকরা শুধু ন্যূনতম অধিকার থেকেই বঞ্চিত হবেন না, তাঁদের মজুরি থেকেও বঞ্চিত হবেন। যদি সমস্ত শ্রম আইন বিলুপ্ত করা হয় তাহলে প্রায় সমস্ত নিয়োগই কার্যত অসংগঠিত হয়ে পড়বে এবং মজুরি কমবে ব্যাপক হারে।

কোনও শ্রমিক অভিযোগ জানাতে পারবেন না

কোনও শ্রমিক অভিযোগ জানাতে পারবেন না

শ্রমিকদের দিক থেকে দেখল লকডাউনের শুরুতে যে সরকার সংস্থাগুলিকে কর্মী ছাঁটাই না করতে বলেছিল এবং পুরো মজুরি দিতে বলেছিল, তারাই এখন শ্রমিকদের দাবি দাওয়া থেকে বঞ্চিত করতে শুরু করবে। এ ব্যাপারে কোনও শ্রমিক কারও কাছে আর অভিযোগ জানাতেও পারবেন না।

পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানো ইস্যুতে ফের তোপ দাগলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী

English summary
what does labour law changes would mean to workers in India
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more