• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অশান্ত নাগাল্যান্ড : কোহিমায় সরকারি অফিসে হামলা আন্দোলনকারীদের!

কোহিমা, ২ ফেব্রুয়ারি : পুরভোট পিছনোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রী খারিজ করায় প্রতিবাদ আন্দোলনে অশান্ত হয়ে উঠল নাগাল্যান্ড। হাজার হাজার নাগা আদিবাসী আন্দোলনকারী মিছিল করে প্রশাসনিক ভবন কোহিমা পুরসভা কাউন্সিল অফিসে পৌঁছয় এবং সেখান আগুন জ্বালিয়ে দেয়। ভাঙচুরও চালানো হয়। সরকারি অফিস এবং সরকারি গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনী মুখ্যমন্ত্রী ও ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিউ সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ে যায়।

শহরের বুকে সকাল থেকেই ভিড় জমান প্রতিবাদীরা। মঙ্গলবার ডিমপুরে পুলিশের গুলিতে যে দুজনের মৃত্যু হয়েছিল, তাদের মৃতদেহ ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তারা।

অশান্ত নাগাল্যান্ড : কোহিমায় সরকারি অফিসে হামলা আন্দোলনকারীদের!

আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল, ডিমাপুরের ঘটনায় যেই পুলিশদের হাত রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিক। মুখ্যমন্ত্রীকে এরপর ইস্তফা দেওয়ার দাবি জানায় তারা। মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিতে অস্বীকার করলে তারা রাজ্যপালকে ঘটনাস্থলে চায়।

এরপরই আসন্ন পুরসভার নির্বাচনে যেখানে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষিত রয়েছে, তা নিয়ে প্রতিবাদ শুরু করে। তাদের দাবি, মহিলাদের সংরক্ষণের জেরে সংবিধানের অধিকার ভঙ্গ করা হচ্ছে। সংবিধানের আইন অনুযায়ী, মহিলাদের কোনও রাজনৈতিক অধিকার নেই। মহিলারা নির্বাচনে লড়তে পারেন কিন্তু তাদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট পরিমান সংরক্ষণ রাখা যাবে না।

এরপর প্রতিবাদ বদলে যায় সরকারের নির্বাচনে পিছনোর প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার বিষয়ে। আন্দোলনকারীদের দাবি গত ২৭ জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন নির্বাচন পিছনো হবে সেকথা তিনি রাখেননি।

ডিমাপুরে পুলিশ আদিবাসী সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যুর পর থেকেই অশান্ত হয়ে ওঠে নাগাল্যান্ড। এদিনে ঘটনা সেই আগুনেই ঘি ঢেলেছে।

lok-sabha-home
English summary
Violence in Nagaland: Protesters attack government offices in Kohima
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more