Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

৯ বছর ধরে পাকিস্তানি পরিচয় গোপন, পহেলগাঁও ঘটনার পরই উধাও! উত্তর প্রদেশে নিখোঁজ স্কুল শিক্ষিকা

উত্তর প্রদেশের বরেলিতে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে একটি সরকারি স্কুলে শিক্ষিকার পদে কর্মরত ছিলেন এক পাকিস্তানি মহিলা। সম্প্রতি তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এদিকে কয়েক দিন আগেই জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে এক ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর কয়েকদিন পরই তাঁর হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা দেশব্যাপী সতর্কতা জারি করেছে।

ইতিমধ্যেই নিখোঁজ শিক্ষিকার সন্ধানে আটটি পুলিশ দল এবং একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা জোরদার তল্লাশি চালাচ্ছে। জানা গিয়েছে, শুমায়লা খান নামের ওই মহিলা ২০১৫ সালে মৌলিক শিক্ষা বিভাগের অধীনে মাধোপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকের চাকরি পান। প্রায় দুই বছর আগে তাঁর পাকিস্তানি নাগরিকত্বের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের গোচরে আসে।

uttar pradesh and police

তবে আশ্চর্যজনকভাবে, শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিএম) বা সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ (এসএসপি)-কে জানানোর পরিবর্তে গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও এই তথ্য গোপনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

বরেলির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অবিনাশ সিং এই ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ইতিমধ্যেই দুই জন সিনিয়র পিসিএস অফিসার, একজন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এবং একজন সিটি ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটি বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ভূমিকা এবং গাফিলতি খতিয়ে দেখবে।

অন্যদিকে, স্থানীয় পুলিশ ফতেহগঞ্জ পশ্চিম থানায় শুমায়লা খানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলিও সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে এবং ভারতে থাকাকালীন ওই মহিলা কোনও দেশবিরোধী কার্যকলাপের সাথে জড়িত ছিলেন কিনা, তা খতিয়ে দেখছে।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। শুমায়লা খানের চাকরি তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হয়েছে এবং তাঁর পুনর্বাসনের আদেশ জারি করা হয়েছে। এদিকে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত সরকার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভিসা স্থগিত সহ একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, অন্যদিকে এই ঘটনা নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বরেলির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অবিনাশ সিং জানিয়েছেন, শুমায়লা খানকে খুঁজে বের করার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং একই সাথে ওই স্কুলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তও শুরু হয়েছে।

Take a Poll

তবে এই ঘটনার পর উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন। শুমায়লা খান কীভাবে দীর্ঘ নয় বছর ধরে বরেলিতে বসবাস করলেন এবং চাকরি করতে সক্ষমই বা হলেন কীভাবে? এই সময়কালে তিনি বরেলি থেকে কোনও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন কিনা? এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা কেন সময় মতো পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে অবগত করতে ব্যর্থ হলেন?

এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার জন্য তদন্তকারী দল জোর কদমে কাজ করছে। এই ঘটনাটি একদিকে যেমন প্রশাসনিক গাফিলতির চিত্র তুলে ধরে, তেমনই দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেও প্রকট করে তোলে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+