ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

মেলেনি সুবিচার, যোগীর রাজ্যে ধর্ম বদলে হিন্দুত্ব গ্রহণ মুসলিম পরিবারের

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    এক মুসলমান ব্যক্তি কয়েকমাস আগে সন্তান খুইয়েছেন। পরিবারের দাবি এটি খুনের ঘটনা। অথচ পুলিশ আত্মহত্যার মামলা বলে তা ধামাচাপা দিতে চাইছে। এই ঘটনায় সুবিচার না পেয়ে শেষে উত্তরপ্রদেশের এক মুসলমান পরিবারের ১২ জন সদস্যই ধর্ম বদলে হিন্দুত্ব গ্রহণ করেছেন।

    মেলেনি সুবিচার, যোগীর রাজ্যে ধর্ম বদলে হিন্দুত্ব গ্রহণ মুসলিম পরিবারের

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বদরখা গ্রামের বাসিন্দা আখতার আলির পরিবার সোমবার ধর্ম বদলেছে। সেই সংক্রান্ত এফিডেভিট করে তা সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমাও দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, ধর্ম বদল করছেন তাঁরা।

    পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ধর্ম বদল করলে হয়ত পুলিশ এই ঘটনাকে খুন বলে স্বীকার করে উপযুক্ত তদন্ত করে বিচার করবে।

    বাগপতের জেলাশাসক ঋষিরেন্দ্র কুমার বলেছেন, গোটা পরিবার ধর্ম বদলে ফেলেছে। স্থানীয় যুব হিন্দি বাহিনীর কর্মকর্তা সৌকেন্দ্র খোকার জানিয়েছেন, ধর্ম বদলে যজ্ঞও করেছে আখতার পরিবার।

    এই খবরে পুলিশের এসপি শৈলেশ কুমার জানিয়েছেন, একটি পরিবার ধর্ম বদলে ফেলেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। এই ঘটনার দিকে পুলিশ নজর দেবে বলেও জানিয়েছেন।

    [আরও পড়ুন:রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের ভোটে কংগ্রেসকে 'অচ্ছুৎ' করে দিলেন মায়াবতী]

    ঘটনা হল, শুধু পুত্রের মৃত্যুর ঘটনার সত্যানুসন্ধান নাকি অন্য কোনও কারণে চাপের বশে উত্তরপ্রদেশে এই পরিবারকে ধর্ম বদলে ফেলতে হল তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

    [আরও পড়ুন: ৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স, নামল ৩৬ হাজারের নিচে]

    [আরও পড়ুন: শপথ নিলেন দেশের ৪৬তম প্রধান বিচারপতি! জানুন রঞ্জন গগৈ সম্পর্কে]

    English summary
    UP Muslim man, family embraces Hinduism after disappointment over police treating son's death as suicide

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more