• search

অসমে ৫ বাঙালি হত্যার দায় অস্বীকার জঙ্গি সংগঠন 'আলফা'-র, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    অসমের তিনসুকিয়ায় ৫ বাঙালির হত্যাকাণ্ডে তারা জড়িত নয় বলে জানিয়েছে জঙ্গি সংগঠন ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম (আলফা)। এর আগে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি সংগঠন উলফার হাত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়। তবে এদিন সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন। ফলে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে নির্দিষ্টভাবে ৫ জন বাঙালিকেই নিশানায় রেখে কেন হত্যাকাণ্ড চালানো হয়? পাশাপাশি, এই বাঙালি গণহত্যার নেপথ্যে তাহলে কারা রয়েছে, তা নিয়েও ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য।

    অসমে ৫ বাঙালি হত্যার দায় অস্বীকার জঙ্গি সংগঠন আলফা-র, ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য

    শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জঙ্গি সংগঠন আলফা জানিয়েছে, 'আমরা, ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম (উলফা)র তরফে থেকে সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে স্পষ্ট করতে চাই যে ১ নভেম্বর , ২০১৮-য় অসমের তিনসুকিয়া সাদিয়া সাইখোয়াঘাটে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমাদের সংগঠনের যোগ নেই।' আলফা জঙ্গিদের এমন বিক্ষপ্তিতে রীতিমত প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে অসমের তিনসুকিয়ায় ,শ্যামলাল বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস ও সুবোধ দাস, ধনঞ্জয় নমঃশূদ্রর মৃত্যু নিয়ে।

    এর আগে, অসমের তিনসুকিয়া থেকে ৬জন বাঙালিকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর ঢোলা সাদিয়া ব্রিজের কাছে তাঁদের বসিয়ে রেখে নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। ঘটনায় ৬ জনের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হন। বাকিরা ঘটনাস্থলেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। ঘটনার পরেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল আলফা জঙ্গিরা এর সঙ্গে জড়িত। এদিকে, ৫ বাঙালির মৃত্যুর নেপথ্যে এনআরসি রয়েছে কি না , তা নিয়ে আগেই প্রশ্ন তোলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর আলফাজের তরফে দায় স্বীকার না করার ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

    English summary
    Hours after five people were gunned down - allegedly by United Liberation Front of Asom (ULFA) operatives - in Assam's Tinsukia on Thursday, the banned militant outfit issued a press statement denying it had any role in the incident.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more