• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

ফের 'নীল তিমির নেশা', বিপজ্জনক কিছু করার আগেই উদ্ধার ২ ছাত্র

  • By Soumik Bose
  • |

মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে পৃথকভাবে দুটি ছাত্রকে নীল তিমির নেশা থেকে উদ্ধার করল পুলিশ। এই ঘটনাগুলি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের সোলাপুর ও মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে। দুই ছাত্রই ব্লু হোয়েল টাস্ক পূরণ করতে গিয়ে ধরা পড়ে।

ফের 'নীল তিমির নেশা', বিপজ্জনক কিছু করার আগেই উদ্ধার ২ ছাত্র

মহারাষ্ট্রের সোলাপুরের ১৪ বছরের ওই ব্লু হোয়েল টাস্ক পূরণ করতে বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে। শুক্রবার সকালে পুনের কাছে একটি বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের করা ডায়েরির ভিত্তিতে পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। এরপরই পুনের কাছে একটি বাস থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়ার পরও নবম শ্রেণির ওই ছাত্র নীরব ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে পুলিশ তার বন্ধুদের কাছ থেকে জানতে পারে ব্লু হোয়েলের নেশায় আসক্ত ওই ছাত্র বিপজ্জনক কিছু করতেই বাড়ি ছেড়েছিল। উদ্ধার হওয়ার পর তাকে থানা থেকে বাড়ি নিয়ে যায় তার বাবা।

ফের 'নীল তিমির নেশা', বিপজ্জনক কিছু করার আগেই উদ্ধার ২ ছাত্র

অপরদিকে বৃহস্পতিবারই মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে স্কুলের তিনতলার জানলা দিয়ে ঝাঁপ দিতে যায় আরেক ছাত্র । তাকে বাধা দিতে যাওয়ায় সহপাঠীদের সঙ্গে বচসাও হয় তার। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে স্কুলেরই এক শিক্ষক ও অন্যান্য ছাত্ররা মিলে তাকে আটকাতে সক্ষম হয়। ওই ছাত্রটি যে তার বাবার মোবাইল ফোনেই ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ খেলছিল তা ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি তার পরিবার।

[আরও পড়ুন: এমন এক 'অনলাইন গেম' যা খেললে করতেই হবে আত্মহত্যা, যার নেশায় আত্মহত্যা করছে স্কুল পড়ুয়া]

সপ্তাহ দুয়েক আগেই মহারাষ্ট্রেই এক ছাত্র বাড়ির ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। সেই ঘটনার পেছনেও নীল তিমির নেশা রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ সেরকম কোনও প্রমাণ না পেলেও তদন্ত এখনও চলছে।

English summary
In a span of 24 hours two students in maharashtra and madhya pradesh have been rescued by police. They are allegedly obsessed with blue whale challenge.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more