ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসবে তারাই, তারকা প্রচারে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

  • Posted By: Dibyendu
Subscribe to Oneindia News

তারকা নেতা, সিনেমার তারকা। সবাইকে নিয়েই সরগরম ত্রিপুরার নির্বাচনী প্রচার। তবে এই ধরনের তারকাখচিত নির্বাচনী প্রচার রাজ্যের মানুষ আগে কখনও দেখেনি। জানাচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারাই।

ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসবে তারাই, তারকা প্রচারে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

[আরও পড়ুন:'হিরা'-র পাল্টা 'দুর্বল প্রধানমন্ত্রী'! মোদীকে সুযোগ বুঝে আক্রমণে মানিক]

গত সপ্তাহেই উত্তরপূর্বের এই রাজ্যে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ফের যাবেন আগামি বৃহস্পতিবার। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সভা, রোড শো করে ফেলেছেন। প্রচারে গিয়েছেন রাজনাথ সিং, নীতিন গড়কড়ির মতো নেতারাও। হিন্দুত্বের মুখ উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গিয়েছিলেন প্রচারে। ৬০ টি আসনের লড়াইয়ে প্রায় ২৫ লক্ষ ভোটারের কাছে পৌঁছে যেতে চেষ্টার কসুর করছে না বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্ব।

এই মুহূর্তে দেশের নজর কেন্দ্রীভূত হয়েছে উত্তর পূর্বের এই ছোট রাজ্যকে ঘিরেই। কার্যত সেখানকার লড়াই দ্বিপাক্ষিক লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক ভাবে সচেতন এই রাজ্যের মানুষ বামেদের হাতেই ক্ষণতা রাখবেন, নাকি গেরুয়া বিজেপির হাতে ক্ষমতা তুলে দেবেন, সেটাই এখন অপেক্ষার।

গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ত্রিপুরায় পেয়েছিল ২ শতাংশেরও কম ভোট। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের নেতৃত্বাধীন বামের পেয়েছিল ৫০ শতাংশের বেশি ভোট। যদি শেষ টানা ক্ষমতায় থাকা বামেরা চাকরির সুযোগ তৈরি, উন্নয়ন, পানীয় জল, কিংবা বিদ্যুত নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে। বিজেপি প্রচারে দারিদ্র, বেকারি ছাড়াও বিদ্যুত অভাবকেই তুলে ধরছে।

ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসবে তারাই, তারকা প্রচারে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

যদি বামেরা গ্রামীণ উন্নয়ন এবং গরিবদের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে, বিজেপি তাহলে কেন্দ্রের ক্ষমতার জাহির করছে। প্রচারে তারা বলছে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে দিল্লি থেকে টাকা আসবে। যেটা সিপিএম পারবে না।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি যখন ত্রিপুরার ভিশন ডকুমেন্ট প্রকাশ করে, রাজ্যের কর্মচারীদেরও সপ্তম পে কমিশনের মতোই বেতন দেওয়ার কথা বলছেন, তখন রাজ্য বিজেপি সভাপতি বিপ্লব দেব রাজ্যে ব্যবসা বৃদ্ধির ডাক দিচ্ছেন।

ক্ষমতায় আসতে পারলে বিজেপি ইতিমধ্যেই যুবকদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। যাকে সিপিএমের তরফে অলঙ্কার বলেই ব্যাঙ্গ করা হয়েছে।

১৯৭৮ সালে কংগ্রেসের থেকে ক্ষমতার হাতবদল হয়ে সিপিএম-এর নেতৃত্বাধীন বামেদের কাছে আসে। এরপর ১৯৮৮-৯৩ রাজ্যের ক্ষমতা ছিল কংগ্রেসের হাতে। তারপর ১৯৯৩ থেকে একটানা ২০১৮। ক্ষমতায় রয়েছে বামেরা। বিজেপি মনে করছে ২৫ বছর টানা শাসনের ফল স্বরূপ হওয়া প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাই তাদের রাজ্য জয়ে সাহায্য করবে।

পশ্চিমবঙ্গ থেকে ত্রিপুরায় প্রচারে যাওয়া বিজেপি নেতারা বলছেন লড়াই হচ্ছে শুধুমাত্র সিপিএমের সঙ্গে। যে লড়াইয়ে খুব কাছেই রয়েছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, আগরতলায় বিজেপি ভাল ফল করবে। কিন্তু গ্রামে বামেদের শিকড় অনেকটাই গভীরে। সূত্রের খবর, ত্রিপুরার প্রচারের জন্য অসমের মতো রাজ্য থেকে কর্মীদের নিয়ে গিয়েছে বিজেপি।

যুব সমাজের কাছে পৌঁছনোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। রাজ্যে সুযোগের অভাব রয়েছে বলে প্রচারে আওয়াজ তুলছে বিজেপি।

[আরও পড়ুন:বামদুর্গ রক্ষার শেষ প্রহরী! ধ্বংসের মাঝে দাড়িয়ে দল বাঁচাতে একা লড়ছেন মানিক]

English summary
Tripura has never seen such star studded campaign of any political party like BJP

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.