ত্রিপুরায় বামেদের উৎখাতের স্বপ্ন দেখা তৃণমূলের এখন প্রার্থী দিতেও হিমশিম অবস্থা

  • Posted By:
Subscribe to Oneindia News

বছর দেড়েক আগেও ত্রিপুরায় গিয়ে বাম সরকারের উৎখাতের ডাক দিয়ে এসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতার পরে ত্রিপুরায় সভা করে আগামী নির্বাচনে মানিক সরকারের দলকে উৎখাতের ডাক দেওয়া প্রথম দল তৃণমূল কংগ্রেসই। [সারদায় তৃণমূল কাঁপলে ত্রিপুরায় ভোটের মুখে রোজভ্যালি গলার কাঁটা হতে চলেছে বামেদের]

ত্রিপুরায় বামেদের উৎখাতের স্বপ্ন দেখা তৃণমূলের করুণ অবস্থা

অথচ গত দেড় বছরে পাশা উল্টে গিয়েছে। মানিক সরকারের দলের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া থাকলেও সেই ক্ষোভকে কাজে লাগাতে পারেনি তৃণমূল। বদলে সিপিএম বিরোধী হাওয়া ও নরেন্দ্র মোদী ম্যাজিককে কাজে লাগিয়ে ত্রিপুরায় প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে বিজেপি। [ভোটের ময়দানে নামার আগে ত্রিপুরায় হার স্বীকার কংগ্রেসের]

তৃণমূলের এমন অবস্থা যে ভোটে প্রার্থী দিতেও হিমশিম অবস্থা। ইন্ডিজেনাস ন্যাশনালিস্ট পার্টি অব ত্রিপ্রা ও ন্যাশনাল কনফারেন্স অব ত্রিপুরার সঙ্গে জোট বেঁধে ভোটের ময়দানে নামতে হয়েছে। [ত্রিপুরায় পরিবর্তনের সম্ভাবনা, নিউজ এক্সের ওপনিয়ন পোলে দুঃসংবাদ বাম শিবিরের জন্য]

আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোট। মোট ৬০টি কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ২৪টিতে তৃণমূল লড়াই করছে। ত্রিপুরায় তৃণমূলের পার্টি ইনচার্জ সচ্যসাচী দত্ত যদিও আশাবাদী ত্রিপুরায় তৃণমূল ভালো ফল করবে।

দলের সব আসেন না দাঁড়ানোর পিছনে সংগঠন নয়, আর্থিক অবস্থানকে দায়ী কের সব্যসাচী দত্ত বলেছেন, বিজেপির মতো অত টাকা আমাদের নেই। আমরা সীমিত সংস্থানে লড়াই দেওয়ার চেষ্টা করছি। যদিও তৃণমূলের স্থানীয় সংগঠনের মত, আপাতত দলের অস্তিত্ব টিঁকিয়ে রাখতে দল ত্রিপুরার ভোটে লড়ছে। জেতার আশা প্রায় নেই বললেই চলে।

একসময়ে কংগ্রেস ও সিপিএম ত্যাগ করে বেশ কয়েকজন বড় নেতা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম নাম সুদীপ রায়বর্মন। তবে ফের তিনি দলবল নিয়ে বিজেপিতে চলে গিয়েছেন। এবং বিজেপি ক্রমেই প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে উঠেছে।

English summary
Trinamool Congress struggles to make its presence felt ahead of Tripura Assembly Election 2018

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more