AI সম্মেলনে খালি গায়ে বিক্ষোভ কংগ্রেসের! ‘দেশের সম্মানহানি’ বলে নিন্দা তৃণমূলের, শোরগোল রাজনৈতিক মহলে
দিল্লিতে আন্তর্জাতিক এআই সম্মেলনের মাঝখানেই যুব কংগ্রেসের খালি গায়ে প্রতিবাদ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপি বিরোধী জোটের শরিক হয়েও তৃণমূল কংগ্রেস এরকম ঘটনাকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে। দলের বক্তব্য যে, এরকম কর্মসূচি আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের ভাবমূর্তিতে গভীরভাবে আঘাত করে।

গত সোমবার থেকে রাজধানীর ভারত মণ্ডপম-এ এআই সম্মেলন চলছে। শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ করে কয়েক জন যুব কংগ্রেস কর্মী সভাস্থলের বাইরে জামা খুলে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে স্লোগান তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে এবং কয়েক জনকে আটকও করা হয়।
পশ্চিমবঙ্গের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় সমাজমাধ্যমে লেখেন যে, "আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সামনে এরকম ধরনের প্রতিবাদ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। গণতন্ত্রে মত প্রকাশ করার অধিকার আছে, কিন্তু দেশের সম্মান বজায় রাখাটাও সমানভাবে জরুরি।" তাঁর মন্তব্য যে, তৃণমূলের সরকারি হ্যান্ডল থেকেও প্রকাশ্যে শেয়ার করা হয়।
তাঁর কথায়, "রাজনৈতিক মতের পার্থক্য তো থাকবেই, কিন্তু তার জন্য দেশের সম্মান এবং দেশের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করা একদমই ঠিক না।"
অন্যদিকে, কংগ্রেসের অভিযোগ যে, প্রস্তাবিত ভারত এবং আমেরিকা বাণিজ্য সমঝোতা সাধারণ মানুষ এবং কৃষকদের স্বার্থের বিরোধী। লোকসভায় এই বিষয় নিয়ে বহু বার সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের দাবি যে, আন্তর্জাতিক মহলের নজর কাড়ার জন্যেই এই প্রতিবাদ।
ইন্দওরেও এই ঘটনার রেশ গিয়ে পৌঁছয়। সেখানে কংগ্রেস কার্যালয়ের সামনে গিয়ে বিজেপির যুব মোর্চা বিক্ষোভ দেখালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। কয়েক জন আহত হন, একাধিক অভিযোগপত্রও দায়ের হয়।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সমস্যায় তৃণমূল এবং কংগ্রেসের দূরত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। স্পিকার ওম বিড়লাকে ঘিরে অনাস্থা প্রস্তাব থেকে শুরু করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর ইস্যু, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের অবস্থান একদমই এক নয়। এআই সম্মেলনের বিক্ষোভ সেই ফাটলকেই আরও প্রকাশ্যে নিয়ে এল।












Click it and Unblock the Notifications