৬ টি 'পাওয়ার প্যাক' সাবমেরিনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরকারকে বড় বার্তা নৌসেনার, নেপথ্যে হাইভোল্টেজ জলপথ-চ্যালেঞ্জ
৬ টি 'পাওয়ার প্যাক' সাবমেরিনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সরকারকে বড় বার্তা নৌসেনার, নেপথ্যে হাইভোল্টেজ জলপথ-চ্যালেঞ্জ
নিউক্লিয়ার পাওয়ার অ্যাটাক সাবমেরিনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে ভারতের নৌসেনার। এই বার্তা কেন্দ্রকে দিয়েই, এই পাওয়ার প্যাক সাবমেরিন তৈরির আর্জি মোদী সরকারের কাছে রেখেছে দেশের নৌসেনা।

নয়া স্ট্র্যাটেজিক ফ্রন্টিয়ার ও ভারত
কোয়াডভূক্ত দেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ও ইউকে ইতিমধ্যেই ইন্দো পেসিফিক এলাকাকে নতুন স্ট্র্যাটেজিক এলাকা বলে পরিগণিত করতে শুরু করে দিয়েছে। এই জায়গা থেকে ভারত এই ইন্দো পেসিফিক এলাকা ঘিরে উঠে আসা নানান রকমের চ্যালেঞ্জকে জবাব দিতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে। সেই কারণেই এই ৬টি সাবমেরিনের প্রয়োজনীয়তা বলে জানা গিয়েছে।

শুরু কোমর কষা!
প্রসঙ্গত, লাক্ষাদ্বীপ ও আন্দামান নিকোবর এলাকার বহু ক্ষেত্রেই নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ সাহায্য করে থাকে। এর হাত ধরে ভারতের জলপথের বহু সীমান্ত সুরক্ষিত রয়েছে। তবে সেই জায়গা থেকে এই সাবমেরিনের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে বলে খবর। এই অবস্থার কথা গত ৩ মে দিল্লির এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে জানান নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং।

এসএসএনের গুরুত্ব
প্রসঙ্গ, পরমাণু হামলার ক্ষমতা সম্পন্ন এসএসএন সাবমেরিনগুলি খাদ্য সরবরাহ থেকে বিভিন্ন রকমের সামগ্রী সরবরাহের ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এমনকি প্রয়োজনে মিসাইল সহ নানান অস্ত্র পরিবহনেও এটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই জায়গা থেকে ইন্দো পেসিফিক এলাকায় এই সাবমেরিনের উপস্থিতি নিঃসন্দেহে বার্তাবহ।

বাড়ছে চিনের শক্তি , ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক কী ভাবছে?
ইতিমধ্যেই ফ্রান্স ভারতের বুকে এসএসএন তৈরির বিষয়ে যৌথ উদ্যোগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে প্রতিরক্ষা বিষয়ক ভারতের থিঙ্কট্যাঙ্ক এই এসএসএন নির্মণের বিষয়ে ফ্রান্স সহ ইউকে , আমেরিকা ও রাশিয়ার দিকে তাকিয়ে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই চিন ১২ টি এসএসএন নিয়ে শক্তি বাড়িয়েছে তাদের সেনার। সঙ্গে লালফৌজের কাছে নকুন ভাবে ৭ টি ব্যালাস্টিক মিসাইল এসেছে।












Click it and Unblock the Notifications