ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

একশো দিনের কাজে বাংলা 'বঞ্চিত', সংসদের বাইরে হাঁড়ি নিয়ে বিক্ষোভ তৃণমূলের

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    কক
    নয়াদিল্লি, ২৮ নভেম্বর: পশ্চিমবঙ্গকে প্রাপ্য টাকা থেকে বঞ্চিত করছে কেন্দ্রীয় সরকার। একশো দিনের কাজে টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে সংসদ ভবনের সামনে হাতে হাঁড়ি নিয়ে বিক্ষোভে নামলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা। রাজ্যসভা ও লোকসভা, উভয় কক্ষের সাংসদরা এতে শামিল হন। এমন অভিনব প্রতিবাদ দেখতে ভিড় জমে যায়।

    কালো টাকা ফিরিয়ে আনার দাবিতে দু'দিন আগেই কালো ছাতা-কালো চাদর নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিকরা। পাশে পেয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টি ও সংযুক্ত জনতা দলের সাংসদদের। এ দিন অবশ্য পাশে কেউ দাঁড়ায়নি। একাই বিক্ষোভ দেখিয়েছে তৃণমূল।

    ক্ষমতায় এসে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যে একশো দিনের কাজে টাকা কমিয়ে দেয় এনডিএ সরকার। কিছু জেলায় বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন দল সরব হলেও সরকারের তরফে বলা হয়, একশো দিনের কাজে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে। ইউপিএ গরিবদের কথা ভেবে এই প্রকল্প চালু করলেও নজরদারির ব্যবস্থা করেনি। ফলে পঞ্চায়েত স্তরে বিপুল টাকা নয়ছয় হয়েছে। তাই যতদিন না সুসংহত নজরদারির ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, ততদিন এই প্রকল্পে রাশ টানা হবে। যেখানে একান্তই দরকার, শুধু সেখানে টাকা দেওয়া হবে। যে জেলাগুলি থেকে সবচেয়ে বেশি অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, সেখানে টাকা দেওয়া হবে না। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হয়েছে।

    কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কারণ পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে-গ্রামে তারাই প্রশ্নের মুখে পড়ছে। ফলে পিঠ বাঁচাতে বাধ্য হয়েই তৃণমূল এ দিন বিক্ষোভ দেখিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। হাতে হাঁড়ি। গলায় পোস্টার। তাতে লেখা 'নো ফুড, নো গুড'।

    English summary
    TMC MPs agitate in front of parliament demanding more money in MNREGA

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more