শিলচরে প্রশাসনের সঙ্গে 'যুদ্ধ'! অবস্থান বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত তৃণমূলের, দেখুন ভিডিও

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    শিলচর বিমানবন্দর থেকে বাধা তৃণমূল প্রতিনিধিদলকে। বিশাল পুলিশ বাহিনী দিয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে বিমানবন্দরের বাইরে যেতে বাধা দেওয়া হয়। এমন কী তৃণমূলের একাধিক সাংসদকে নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। এমনটাই অভিযোগ করেছেন প্রতিনিধিদলে যাওয়া তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিমানবন্দরের মধ্যেই অবস্থান শুরু করে দেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

     শিলচরে প্রশাসনের সঙ্গে যুদ্ধ! অবস্থান বিক্ষোভের সিদ্ধান্ত তৃণমূলের, দেখুন ভিডিও

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শিলচর বিমানবন্দর ছিল নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। দুপুরে তৃণমূলের আট সদস্যের প্রতিনিধিদলকে প্রথমে বিমান থেকে নামতেই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। বিমানে থাকা সংবাদমাধ্যমকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে বিমান থেকে নামতে পারলেও, একটি ঘরে তাদেরকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় ঘরের সামনেই বসে পড়েন তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। সেখানে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পুলিশের বড়কর্তা থেকে ম্যাজিস্ট্রেট সকলেই হাজির ছিলেন বলে দাবি তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের।

    সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছেন, তিনি ছাড়াও, সুখেন্দুশেখর রায়, মমতাবালা ঠাকুর, অর্পিতা ঘোষ এবং মহুয়া মৈত্রকে হেনস্থা করেছেন মহিলা পুলিশকর্মীরা। তাঁদের হেফাজতে থাকা মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ।

    শিলচল রওনা হওয়ার আগে প্রতিনিধিদলের অপর সদস্য রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাজ হাকিম বলেছিলেন, ১৪৪ ধারা অনেক দেখেছি।

    শিলচরে যে হলে নাগরিক কনভেনশন হওয়ার কথা ছিল, সেই হলের তরফ থেকে অবশ্য বৃহস্পতিবার সকালে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, অনুষ্ঠানের জন্য কোনও আবেদন তারা পাননি। যদিও তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছিল সেখানে অনুষ্ঠানের অনুমতি রয়েছে তাদের কাছে।

    অসম নাগরিক রক্ষা সমন্বয় সমিতির তরফ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। সংগঠনের চেয়ারম্যান তপোধীর ভট্টাচার্য ক্ষুব্ধ। তাদের সংগঠনের সদস্যদের বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

    English summary
    TMC delegation team was prevented to go outside from the Silchar Airport by the security forces

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more