ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

ফের তিন সাধ্বীকে টেনে নিয়ে ধর্ষণ, এবার কোন রাজ্যের আশ্রমে ঘটল এমন ঘটনা

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বিহারের গোবিন্দপুরের আশ্রমে এবার তিনজন সাধ্বীকে ধর্ষণের অভিযোগ সামনে এল। এই ঘটনায় মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। নওয়াদা জেলার এই গ্রামের আশ্রমে ঘটনাটি ঘটেছে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর। তবে তিন নিগৃহীত মহিলা ভয়ে পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেজন্য তখন মামলা দায়ের করা যায়নি। ফিরে এসে তাঁরা পুলিশে অভিযোগ করেন।

    ফের তিন সাধ্বীকে টেনে নিয়ে ধর্ষণ, এবার কোন রাজ্যের ঘটনা

    পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ জানুয়ারি গোবিন্দপুর থানায় এফআইআর করা হয়েছে। অভিযুক্তের তালিকায় নাম রয়েছে কল্পনাথ চৌধুরী, গিরজাশঙ্কর চৌধুরী, তাপস্যানন্দ, অজিত চৌধুরী, দিলচাঁদ প্যাটেলের। এরা সকলেই উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।

    এই পাঁচ অভিযুক্তই সরাসরি অথবা পরোক্ষভাবে আশ্রমের সঙ্গে যুক্ত। কেউ আশ্রমে কাজ করত, কেউ প্রায়ই আশ্রমে যাতায়াত করত। এদের মধ্যে তিনজন সেবাদার ছিল। এরা ছাড়াও অজ্ঞাত আরও পাঁচজনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে ডিসেম্বরের ১২ তারিখ রাত দশটায়। গোবিন্দপুরের সন্ত কবীর আশ্রমে পুরুষ-মহিলা মিলিয়ে ৫০জন থাকেন। বেশিরভাগই বিহার, ঝাড়খণ্ড ও উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। সেদিন রাতে ঘরে রান্না করছিলেন সাধ্বীরা। তাদের ঘরে ঢুকে কল্পনাথ একজন সাধ্বীকে জোর করে টেনে নিয়ে আসে। বাকী দুজন তাকে বাঁচাতে এলে সকলে মিলে তিনজনকেই টেনে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করে। কল্পনাথ ছাড়াও সেই দলে ছিলেন তাপস্যানন্দ ও দিলচাঁদ।

    বাকী দুজন দরজার বাইকে বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে ছিল বলে অভিযোগ। তিন অভিযুক্তের দুজন উত্তরপ্রদেশ ও একজন গয়ার বাসিন্দা। ঘটনার কথা পুলিশে জানালে খারাপ হবে বলে সাধ্বীদের হুমকিও দেওয়া হয়। সেই ঘটনার পরই আশ্রম ছেড়ে সাধ্বীরা পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে যান। ফিরে এসে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এখনও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি।

    English summary
    Three sadhvis ‘raped’ at Bihar's Nawada ashram, five booked

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more