• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

২০২২ সালে শেষ হয়ে যাবে এই করোনা মহামারি, আশাবাদী বিল গেটস

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা ও ধনকুবের তথা বিল ও মেলিন্ডা গেটস সংগঠনের সহ–প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস আশাবাদী যে প্রত্যেক দেশ যদি সহায়তা করে এবং দারুণ কাজ করে দেখায় এই সময়, তবে ২০২২ সালে কোভিড–১৯ মহামারি শেষ হয়ে যাবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে বিল গেটস জানিয়েছেন যে সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরিতে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

অন্যান্য দেশের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে হবে

অন্যান্য দেশের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে হবে

সাক্ষাতকারে বিল গেটস বলেন, ‘‌আমি নিশ্চিত একবার এই মহামারির সময় অতিক্রম করতে পারলে আমরা ঘুরে দাঁড়াব এবং তখন আমরা বলব আপনি জানেন কোন দেশ দ্রুত করোনা টেস্ট করেছিল, কোন দেশে কনট্যাক্ট ট্রেসিং হয়েছিল এবং মাস্ক পরা সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলব। এই মহামারির আগে অনেক দেশই মার্স বা সার্সের মতো রোগের সঙ্গে লড়াই করেছে, সেই সব দেশের থেকে শিখতে হবে। এটা তাৎপর্যপূর্ণ যে আপনি যদি নিম্নস্তরেই একে রোধ করতে পারেন তবে এটি বড় সংখ্যায় যাবে না।

২০২২ সালে শেষ হতে পারে মহামারি

২০২২ সালে শেষ হতে পারে মহামারি

কোভিড মহামারি প্রসঙ্গে বিল গেটস বলেন, ‘‌আমরা যদি ভালো কাজ করতে পারি তবে ২০২২ সালেই মহামারি শেষ হয়ে যাবে। আমরা খুব ভাগ্যবান যে ভালো প্রতিষেধক বিশ্বে তৈরি হচ্ছে, আমি খুবই আশাবাদী যে স্বাস্থ্য পদ্ধতি সক্ষমতার কারণে আমরা ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারব। তবে বিশ্বে বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষত যে সকল ধনী দেশ বিশাল অতিরিক্ত ঋণ নিতে পারে না, তাদের বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। কছু চূড়ান্ত দারিদ্রতা থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে ২০২০ সালের প্রথমে যেখানে আমরা ছিলাম সেখানে পৌঁছাতে।'‌ কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে ভারতের লড়াই প্রসঙ্গে বিল গেটস বলেন, ‘‌আমি ভারতীয় মহামারি বিশেষজ্ঞ নই। ভারতে উচ্চ-ঘনত্বের শহর রয়েছে। বড় বাড়ি নেই মানুষের। অনেক কাজই অফিসের কাজের মতো নয়, যা সহজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়ে যায়। অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপের পাশাপাশি সংক্রমণ রোধ করার ব্যাপারটি একসঙ্গে চালানো বেশ কঠিন। ভারতের কাছে এটা চ্যালেঞ্জের।'‌

ভ্যাকসিন তৈরিতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে কি জানালেন বিল গেটস

ভ্যাকসিন তৈরিতে ভারতের ভূমিকা নিয়ে কি জানালেন বিল গেটস

তবে বিশ্বকে করোনা মুক্ত করতে ভ্যাকসিন প্রস্তুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে ভারতের ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি, জানিয়েছেন বিল গেটস। মাইক্রোসফটের কর্ণধার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‌ভারতের ক্ষমতা বিশাল। এ দেশে বহু সংস্থাই বিশ্বে ব্যাপক পরিমাণে ওষুধ ও প্রতিষেধক সরবরাহ করেছে আগেও। ভারত যে পরিমাণ টিকা তৈরি করে তা অন্য কোনও দেশ করে না। ওষুধ ও টিকা প্রস্তুতে এগিয়ে রয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট, যা দেশে বৃহত্তম। এছাড়াও বায়ো ই, ভারত বায়োটেক ইত্যাদি সংস্থাও করোনা প্রতিষেধক উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।'‌ বিল গেটস আশাবাদী যে ২০২১ সালের শুরুতেই করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আসবে।

ভ্যাকসিনের সমবন্টন প্রয়োজন

ভ্যাকসিনের সমবন্টন প্রয়োজন

ভ্যাকসিনের সমবন্টন নিয়ে বিল গেটস জানিয়েছেন যে এক দেশে ভ্যাকসিন বন্টন করার পর সেই দেশে সংক্রমণ বন্ধ হলেও অন্য দেশে সংক্রমণ থাকছে। এভাবে মহামারি রোধ সম্ভব হবে না। করোনা মোকাবিলায় তাই সব দেশকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি যেমনটা আগেও জানিয়েছিলেন যে করোনা ভ্যাকসিন দরিদ্র দেশগুলিকে আগে দেওয়া দরকার কারণ প্রত্যন্ত এলাকায় সংক্রমণের হার বন্ধ হলে তবেই সামগ্রিকভাবে মহামারি রোধ সম্ভব হবে।

৫০ লক্ষের গণ্ডি পার ভারতের, শেষ ১১ দিনে যোগ ১০ লক্ষ কোভিড সংক্রমণ

English summary
this coronavirus pandemic will end in 2022 optimistic bill gates
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X