করোনার তৃতীয় ওয়েভে কেন ভয় শিশুদের! কতটা প্রস্তুত ভারত
ভারতে চলছে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ। কোন পথে মুক্তি, সেই দিশা এখনও দেখা যাচ্ছে না। এরই মধ্যে তৃতীয় ওয়েভের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে। আর সবথেকে আশঙ্কার কথা হল, তৃতীয়বারে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি।
ভারতে চলছে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভ। কোন পথে মুক্তি, সেই দিশা এখনও দেখা যাচ্ছে না। এরই মধ্যে তৃতীয় ওয়েভের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে। আর সবথেকে আশঙ্কার কথা হল, তৃতীয়বারে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি।

শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কেন বেশি এই প্রসঙ্গে ভাইরোলজিস্ট ড. ভি রবি জানিয়েছেন, সোজা হিসেব হল, যাদের মধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়নি, তারাই আক্রান্ত হতে পারেন। ফার্স্ট ও সেকেন্ড ওয়েভে প্রাপ্তবয়স্ক বা বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হয়ে্ছেন।
আবার বয়স্করা অনেকেই ইতিমধ্যে্ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তাই বাকি রইল শিশুরা। প্রথম ওয়েভে মাত্র ৪ শতাংশ ও দ্বিতীয় ওয়েভে ১০-১৫ শতাংশ শিশু আক্রান্ত হয়েছেন। তাই পরের বার বেশির ভাগ শিশুর আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তার পর দেশের একাধিক রাজ্যে তৃতীয় ওয়েভের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, মহারাষ্ট্রে শিশুদের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক জায়গাতেই শিশুদের জন্য আলাদা আইসিইউ-ও তৈরি করা হয়েছে।
দেশের সব জায়গায় প্রাপ্ত বয়স্কদের ভ্যাকসিন দেওয়া হলেও শিশুদের এখনও পর্যন্ত টিকাকরনের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অনেক দেশেই অবশ্য শিশুদের টিকাকরনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। আমেরিকায় ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী ৬ লক্ষ কিশোরকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
এ বছরের শেষে ৪-৬ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। সিঙ্গাপুরেও ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। আরব আমিরশাহীতেও এই একই বয়সী কিশোর-কিশোরীদের ফাইজার ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ধনী দেশগুলিকে বলেছে, তাদের কাছে ভ্যাকিসন বেশি থাকলে তা যেন শিশুদের না দিয়ে অপেক্ষাকৃত গরিব দেশগুলিতে পাঠানো হয়। ভারতে ১৮ বছরের নীচে এখনও ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications