• search

রাজীব গান্ধীর বাড়িতেই ছিল তামিল জঙ্গিদের চর! দাবি প্রাক্তন আমলার

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    রাজীব
    নয়াদিল্লি, ৫ অগস্ট: এলটিটিই-র আত্মঘাতী হানায় মারা গিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। কিন্তু জানেন কি, নয়াদিল্লিতে তাঁর বাড়িতেই ছিল তামিল জঙ্গিদের এক গুপ্তচর! ১৯৯১ সালের ২১ মে যখন তিনি মারা যান, তার অনেক আগে থেকেই ওই গুপ্তচর নিয়মিত খবরাখবর পাচার করত। নিজের লেখা বইয়ে এমনটাই দাবি করেছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র সচিব আর ডি প্রধান।

    'মাই ইয়ার্স উইথ রাজীব অ্যান্ড সোনিয়া' শীর্ষক বইয়ে তিনি বলেছেন, "আমার মনে কোনও সন্দেহ নেই যে, এলটিটিই-র একজন গুপ্তচর ১০ নম্বর, জনপথের বাড়িতে সেঁধিয়ে গিয়েছিল। অনেককেই পাকড়াও করা হয়েছিল, কারও সাজাও হয়েছিল। কিন্তু আমার মনে হয়, সত্যিটা চাপা দিতে এ সব করা হয়েছিল। রাজীব গান্ধীকে খুনের পিছনে সেই সময়কার অনেক প্রভাবশালী লোক জড়িত ছিল বলে মনে হয়। এদের কেউ হয়তো ওই গুপ্তচরকে সব খবর সরবরাহ করত। ১৯৯১ সালে লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে তখন সোনিয়া গান্ধী ছিলেন আমেঠিতে। মনে হয়, উনিও আমার সঙ্গে একমত হবেন।"

    তিনি আরও লিখেছেন, "সেই সময়কার তামিলনাড়ু সরকারের সঙ্গে এলটিটিই-র কিছু যোগাযোগ ছিল হয়তো। এলটিটিই সফল হলেও আইবি এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল ভীষ্মনারায়ণ সিং চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিল।" প্রসঙ্গত, রাজীব গান্ধী যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তখন কেন্দ্রে স্বরাষ্ট্র সচিব ছিলেন আর ডি প্রধান। এর পর ১৯৯৮-২০০৩ সালে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরে এলটিটিই-র আত্মঘাতী হামলায় মারা যান রাজীব গান্ধী। বিস্ফোরণে তাঁর শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল।

    English summary
    There was an LTTE spy inside Rajiv Gandhi's home. He used to pass vital information to Tamil militants. Some of the high profile leaders of the country knew everything. Former home secretary RD Pradhan has claimed all these things in his recently published book.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more