• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

দেশে করোনা পরবর্তী অর্থনীতিকে সামাল দিতে প্রয়োজন আরও একটি বাজেট!

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন যখন চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করেছিলেন, তখন দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ শুরু হয়নি। সেই অনুপাতেই বাজেট পেশ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে সেই বাজেট পেশের পর প্রায় দুই মাসে দেশে ক্রমেই বেড়েছে করোনার প্রকোপ। যার জেরে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ প্রায় সব ধরণের বাণিজ্য।

বর্তমান পরিস্থিতি দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার কত হবে?

বর্তমান পরিস্থিতি দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার কত হবে?

বাজেট পেশের আগে জানানো হয়েছিল যে ২০২০-২০২১ আর্থিকবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হারের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল ৫.৬ শতাংশ। তবে করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে এসবিআই জানিয়েছে যে দেশের আর্থিক প্রবৃদ্ধির হার হবে মাত্র ২.৬ শতাংশ। পাশাপাশি জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের ত্রৈমাসিকে ভারতের প্রবৃদ্ধির হার ২.৫ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে এসবিআই।

খাদের কিনারায় ঝুলে রয়েছে অর্থনীতি

খাদের কিনারায় ঝুলে রয়েছে অর্থনীতি

করোনার জেরে খাদের কিনারায় ঝুলে রয়েছে অর্থনীতি। সৌজন্যে ভারতে বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণের প্রকোপ। গত কয়েক সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই নিয়ম করে শেয়ারবাজারে ধস নামছে বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কার জেরে। করোনা ভাইরাসের জেরে বিশ্বজুড়ে মন্দা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই। এর প্রভাব প্রথমে পরোক্ষ ভাবে পড়লেও পরে তা প্রত্যক্ষ ভাবেই পড়তে শুরু করে ভারতের উপর। আর জেরে দেশের বাণিজ্য ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন।

প্রভাবিত বাণিজ্য

প্রভাবিত বাণিজ্য

বিশ্বজুড়ে করোনা প্রাদুর্ভাব দেখা দিতেই ভারতের ৫৩ শতাংশ বাণিজ্য প্রভাবিত হয়েছিল। সেই পরিমাণ এখন ৭৩ শতাংশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। এর জেরে দেশের ৫০ শতাংশ কোম্পানিতে অর্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

নগদ প্রবাহে টান পড়েছে

নগদ প্রবাহে টান পড়েছে

এদিকে করোনার জেরে নগদ প্রবাহ কমে গিয়েছে। দেশের ৮০ শতাংশ সংস্থার নগদ প্রবাহে টান পড়েছে। কাচা মাল ও উৎপাদন নিয়ে চাপে পড়েছে কম বেশি সব সংস্থা। চাহিদার অভাবে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত পিছিয়ে যাচ্ছে উৎপাদনের মাত্রা। পরবর্তীতে এই উৎপাদন আরও পিছিয়ে যাবে বলেই ধরে নেওয়া যায়।

১ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা

১ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা

এর আগে কেন্দ্রের তরফে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। করোনা ভাইরাসে লকডাউনে সবচেয়ে সংকটে পড়েছেন গরিব মানুষ দিন মজুররা। রোজগার বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাঁদের। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের অন্নের সংস্থানে এগিয়ে এসেছে সরকার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ফিনান্সিয়াল রেসপন্স টিম বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করে। তবে শুধু সেই প্যাকেজের উপর নির্ভর করে দেশের পরবর্তী অর্থনৈতিক গতিপথ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে না।

চাকরি হারাতে চলেছে অনেকে

চাকরি হারাতে চলেছে অনেকে

এদিকে সম্প্রতি সিআইআই-এর দ্বারা এক সমীক্ষা করা হয়। তাতে সিআইআই-এর সঙ্গে যুক্ত দেশের সমস্ত বড় বড় সংস্থার সিইও-দের প্রশ্ন করে জানতে চাওয়া হয় যে লকডাউন পরবর্তী সময়ে চাকরি থাকা নিয়ে তাঁদের মতামত। সেই প্রশ্নের জবাবেই ৫২ শতাংশ সিইও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে লকডাউনের পর নিশ্চিত ভাবে অনেক মানুষ চাকরি হারাবে। এই পরিস্থিতিতে ফের কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রয়োজন দেশের বাণিজ্যকে বুস্ট করা। আর তার জন্য প্রয়োজন নতুন এক দিক নির্দেশনার। যার জন্য প্রয়োজন নতুন একটি বাজেট।

English summary
there might be a need for a new budget to cope up with the economic situation post covid 19
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more