• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনায় মৃত্যু মিছিলের মধ্যেই একসঙ্গে পাঁচ শিশুর জন্ম দিলেন এই মহিলা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে যখন দেশে একের পর এক প্রাণ চলে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময় নতুন প্রাণের সঞ্চার হল। তাও আবার একটা নয়, একসঙ্গে পাঁচটা। বুধবার উত্তরপ্রদেশের বারাবাকি কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে (‌সিএইচসি)‌ এক মহিলা পাঁচ শিশুর জন্ম দিলেন একসঙ্গে।

একসঙ্গে প্রসব পাঁচ শিশু

একসঙ্গে প্রসব পাঁচ শিশু

সিএইচসি সূত্রে জানা গিয়েছে যে পাঁচ জন শিশুর জন্মের পর মা ও শিশুর শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রয়েছে। সিএইচসি-এর নার্স কেশব চৌবা ও রিনা রাইয়ের সহায়তায় ওই মহিলার স্বাভাবিক প্রসব হয় ও এক-এক করে শিশুদের বাইরে বের করা হয়। পাঁচজনের মধ্যে দু'‌জন ভালো রয়েছে ও বাকি দু'‌জনের শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেই কারণে পাঁচ শিশু সহ মাকে বারাবাকি জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পাঁচ বছরের বিবাহিত জীবনে ওই মহিলার এটি দ্বিতীয়বার প্রসব। কুতলুপুরের বাসিন্দা কুন্দনের স্ত্রী অনিতা সিএইচসিতে বুধবার সকালে ভর্তি হন। বুধবার সকাল আটটার সময় তিনি পাঁচ শিশুর জন্ম দেন। সূত্রের খবর, কুন্দন ও তাঁর পরিবার সকাল ন'‌টার সময় হাসপাতালে এসে ২ টি ছেলে ও তিনটি মেয়ে অতিথিকে স্বাগত জানায়।

পঞ্চম শিশুর ওজন কম

পঞ্চম শিশুর ওজন কম

শিশুদের মধ্যে দু'‌জনের ওজন ১.‌২ কেজি ও অন্য দু'‌জনের ওজন ৯০০ গ্রাম ও পঞ্চম জনের ওজন সবচেয়ে কম ৮০০ গ্রাম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সিএইচসির দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাঃ রাজর্ষি ত্রিপাথি জানিয়েছেন, অনিতার প্রসব ২৮ সপ্তাহের মধ্যেই হয়ে গিয়েছে। তাঁর দাবি, অনিতার আল্ট্রাসোনোগ্রাফি রিপোর্টেই একাধিক শিশুর কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা যে পাঁচজন তা বলা হয়নি।

গর্ভের আলাদা আলাদা স্তরে ছিল পাঁচ শিশু

গর্ভের আলাদা আলাদা স্তরে ছিল পাঁচ শিশু

সিএইচসি দায়িত্বপ্রাপ্তের দাবি যে সবকটি শিশু গর্ভের বিভিন্ন স্তরের ভেতর ছিল ও বিভিন্ন নাড়ির সঙ্গে জড়িত ছিল যার মাধ্যমে বাচ্চারা পুষ্টি লাভ করে।

English summary
While two of the infants weigh 1.2 kg, two other weigh 900 gm and the fifth has the lowest - 800 gm
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more