• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা ভাইরাসের আগেও যেই ১০টি মহামারীর বিভীষিকা দেখেছিল গোটা বিশ্ব

Google Oneindia Bengali News

বিশ্বজুড়ে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এই সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৫১০। প্রতি ঘণ্টায় লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃতের সংখ্যাও বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। এখনও পর্যন্ত ৪৬৩৭ মারা গিয়েছে বিশ্বে। ভারতেও প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা। আজ পর্যন্ত ভারতে ৭৩ জন আক্রান্ত এই সংক্রমণে। অবশ্য এর আগেও বহুবার বিশ্বে মহামারীর প্রকোপে প্রচুর মানুষ মারা গিয়েছিল। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এরম ১০টি মহামারী...

অ্যান্টোনিন প্লেগ (খৃষ্ঠ পূর্ব ১৬৫)

অ্যান্টোনিন প্লেগ (খৃষ্ঠ পূর্ব ১৬৫)

গ্যালেনের প্লেগ নামেও পরিচিত এই অ্যান্টোনাইন মহামারীতে এশিয়া মাইনর, মিশর, গ্রীস এবং ইতালিতে প্রভাবিত হয়েছিল। মিজলস ও স্মলপক্সে এই সময়ে পাঁচ মিলিয়ন মানুষ মারা গিয়েছিল।

জাস্টিনিয়ার প্লেগ (৫৪১-৫৪২)

জাস্টিনিয়ার প্লেগ (৫৪১-৫৪২)

এই বুবোনিক প্লেগের জেরে ইউরোপের আর্ধেক জনসংখ্যা কমে গিয়েছিল। প্রায় ২৫ মিলিয়ন মানুষ এতে মারা যায়। প্রতিদিন প্রায় ৫০০০ জন করে মারা গিয়েছেন এই সময়ে।

কালো মড়ক (১৩৪৬-১৩৫৩)

কালো মড়ক (১৩৪৬-১৩৫৩)

কালো মড়ক মানবসভ্যতার ইতিহাসে একটি বীভৎস, অমানবিক ও কালো ইতিহাস বহন করছে। পৃথিবীব্যাপি ছড়িয়ে পড়া এই মহামারির কবলে পড়ে ১৩৪৬-১৩৫৩ সালের মধ্যে ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশের ৭৫ থেকে ২০০ মিলিয়ন মানুষ মৃত্যুবরণ করে। যদিও এটির উৎসস্থল ছিল এশিয়া। ইঁদুর থেকে সংক্রমিত প্লেগ রোগের সঙ্গে এই রোগের অনেক সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছিল বিশেষজ্ঞরা।

তৃতীয় কলেরা মহামারী (১৮৫২-১৮৬০)

তৃতীয় কলেরা মহামারী (১৮৫২-১৮৬০)

এই কলেরার মহামারীতে এক মিলিয়ন মানুষ মারা গিয়েছিল। তৃতীয় কলেরা মহামারীটি ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল। এছাড়া এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং আফ্রিকাতেও এটির প্রকোপ দেখা গিয়েছিল।

ফ্লু মহামারী (১৮৮৯-১৮৯০)

ফ্লু মহামারী (১৮৮৯-১৮৯০)

এশিয়াটিক বা রাশিয়াটিক ফ্লু নামে পরিচিত এই মহামারীতে প্রায় ১ মিলিয়ন মানুষ মারা গিয়েছিল। এই সংক্রমণে এইচ ৩ এন ৮ ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল। মধ্য এশিয়া, কানাডা সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এটি ছড়িয়ে পড়েছিল।

ষষ্ঠ কলেরা মহামারি (১৯১৯-১৯১১)

ষষ্ঠ কলেরা মহামারি (১৯১৯-১৯১১)

অন্য পাঁচবারের মতোই, ষষ্ঠবারও ভারতে কলেরার প্রকোপ দেখা দেয়। যেখানে মৃত্যু হয় ৮ লক্ষ মানুষের। এটা ছড়িয়ে পড়েছিল মধ্য প্রাচ্য দেশে, উত্তর আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ ও রাশিয়াতে। ষষ্ঠ কলেরা মহামারি ভারত ছাড়াও ১৯১০ থেকে ১৯১১ পর্যন্ত এর উৎস ছিল আমেরিকা। এই মহামারিতে ২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

ফ্লু মহামারী (১৯১৮)

ফ্লু মহামারী (১৯১৮)

১৯১৮ সাল থেকে ১৯২০ এই মহামারীটি ছিল। ইনফ্লুয়েঞ্জার এই মহামারীর জেরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মানুষ মারা গিয়েছিল। এই মহামারীর প্রকোপের প্রথম ২৫ সপ্তাহেই ২৫ মিলিয়ন মৃত্যু হয়েছিল।

এশিয়ান ফ্লু (১৯৫৬-১৯৫৮)

এশিয়ান ফ্লু (১৯৫৬-১৯৫৮)

এইচ ২ এন ২-র সংক্রমণটি এশিয়ান ফ্লু নামে পরিচিতি পায়। ইনফ্লুয়েঞ্জার এই মহামারীর উৎসটিও করোনা ভাইরাসের মতোই ছিল চিন। ১৯৫৬ সালে এই রোগ দেখা যায় প্রথমবার। এই রোগের প্রভাব ছিল পরবর্তী দুই বছর, অর্থাৎ ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত। এই সংক্রমণের জেরে মারা গিয়েছে ২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ। এই মহামারী ছড়িয়ে পড়েছিল সিঙ্গাপুর, হংকং ও আমেরিকাতে।

ফ্লুয়ের মহামারী (১৯৬৮)

ফ্লুয়ের মহামারী (১৯৬৮)

ফ্লু মহামারীটি শুরু হয় ১৯৬৮ সালে হংকংয়ে। এর জেরে এর অপর একটি নাম হংকং ফ্লু হয়ে যায়। এরপর হংকং থেকে এই সংক্রমণ ক্রমেই ছড়িয়ে পড়েছিল সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনস, অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এই রোগের জেরে মৃত্যু হয়েছিল প্রায় এক মিলিয়নের বেশিজনের। এর জেরে হংকংয়ের ১৫ শতাংশ জনসংখ্যা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

এইচআইভি-এইডস মহামারী (২০০৫-২০১২)

এইচআইভি-এইডস মহামারী (২০০৫-২০১২)

১৯৭৬ সালে এই শুরু হয় আফ্রিকার কঙ্গ প্রজাতন্ত্রে। ক্রমেই এইচআইভির প্রকোপ বেড়ে চলে কঙ্গোতে। ১৯৮১ সালে এটি বৃহৎ আকার ধারন করে। ১৯৮১ সাল থেকে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে মৃত্যু হয় ৩৬ মিলিয়ন মানুষের। তবে ক্রমে এই রোগের বিরুদ্ধে সচেতনতা ও নতুন চিকিৎসা সপদ্ধতির মাধ্যমে বর্তমানে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণ করা খুব সহজ। ২০০৫ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে এই রোগে মৃত্যুর হার কমে যায় ২.‌২ মিলিয়ন থেকে ১.‌৬ মিলিয়ন।

English summary
the ten pandemics that the world encountered before coronavirus outbreak
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X