• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অযোধ্যা মামলার শুনানি শেষ, দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান

১৯৯২ থেকে ২০১৯। ২৭ বছরের আইনি লড়ায়ের একটি পর্যায় শেষ হল আজ। এই ২৭ বছরের আইনি লড়াইয়ের কেমন ছিল অযোধ্যা মামলার গতি প্রকৃতি দেখে নেওয়া যাক এক নজরে।

অযোধ্যা মামলার শুনানি শেষ, দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান

১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর হিন্দু কর সেবকরা গুঁড়িয়ে দিয়েছিল বাবরি মসজিদ। তার জেরে গোটা দেশের দাঙ্গায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২০০০ মানুষ। সেবছর ঘটনার তদন্তে ১৬ ডিসেম্বর তৈরি হয়েছিল অযোধ্যা কমিশন। সেসময়কার ক্ষমতাসীন কংগ্রেস সরকার কমিশনটি গঠন করে। যদিও সেই কমিশনের পেশ করা রিপোর্ট কখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

১৯৯৩ সাল

মামলা চলতে থাকে আদালতে। তদন্তের কোনও রিপোর্ট পেশ না করেই অযোধ্যার বিতর্কিত জমি অধিগ্রহন বিল পাস করে কংগ্রেস সরকার। সেই বিলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় ইসমাইন ফারুকি সহ বেশ কয়েকজন।

১৯৯৪

সেই বছরই শীর্ষ আদালত জানায় মসজিদ না থাকলেও নমাজ পড়া যায়। আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে

ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানান মামলাকারীরা।

২০০১ সাল

২০০১ সালে এই মামলা ১৩ জন দোষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়। তার মধ্যে ছিলেন বিজেপি নেতা এল কে আদবানীও।

২০০২

২০০২ সালে তিন বিচারপতির বেঞ্চে শুরু হয় বিতর্কিত জমি মামলার শুনানি। বাবরি মসজিকে স্থানে রামমন্দির ছিল কিনা সেটা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে। দাবি করা হয় ১৫২৮ সালে মসজিদটি তৈরি করেছিলেন মুঘল সম্প্রাট বাবর।

২০০৩ সাল

অযোধ্যায় কোনও রকম ধর্মীয় আচরণ নিষিদ্ধ করে সুপ্রিম কোর্ট। আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া তল্লাশি চালিয়ে সেখানে মন্দিরের অস্তিত্বের সন্ধান পায়। এবং আদালতকে জানায় মুসলিমরা সেই অংশ নষ্ট করেছে।

২০১০ সাল

এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দেয় অযোধ্যার বিতর্কিত জমিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হবে। এক তৃতীয়াংশ জমি যাবে রাম লাল্লা বিরাজমানের কাছে। এক তৃতীয়াশ জমি দেওয়া হবে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে এবং বাকি জমি দেওয়া হবে নীলমনি আখারাকে। হাইকোর্টের রায়ের পরেই সুপ্রিম কোর্টে যায় মামলািট।

২০১১ সাল

৯ মে সুপ্রিম কোর্ট এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।

২০১৬ সাল

বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির নির্মাণের জন্যে আবেদন জানায়।

২০১৭ সাল

২১ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট আদালতের বাইরে মিটিয়ে সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলে।

৩০ মে এল কে আদবানী, উমা ভারতী, মুরলি মনোহর জোশী, বিনয় কাটারিয়ার বিরুদ্ধে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দায়ের হয়।

৮ অগস্ট সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড শীর্ষ আদালতকে জানায় বিতর্কিত জমির কিছু দূরে মসজিদ তৈরি হতে পারে।

১১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার ১৩ জন আবেদনকারীর শুনানি শুরু করে।

ডিসেম্বরের ৫ তারিখ অযোধ্যা মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।

২০১৮ সাল

সুপ্রিম কোর্ট আর কোনও বেঞ্চে পুরনো মামলার শুনানি করতে রাজি হয়নি।

২০১৯ সাল

৮ মার্চ শীর্ষ আদালত এই মামলায় দুই মামলাকারীর মধ্যে মধ্যস্থতার জন্য প্যানেল গঠন করে। এবং ৮ সপ্তাহের মধ্যে তার রিপোর্ট পেশ করে বলে।

১ অগস্ট মধ্যস্থতাকারী প্যানেল রিপোর্ট পেশ করে।

২ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট জানায় মধ্যস্থতায় ব্যর্থ হয়েছে প্যানেল।

৬ অগস্ট থেকে শুরু হয় প্রতিদিন মামলার শুনানি।

১৬ অক্টোবর শেষ হয় মামলার শুনানি।

English summary
The Supreme Court has concluded hearing in Ayodhya Case
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more