ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

একে তো তাপপ্রবাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত, তার উপর বিদ্যুৎ ঘাটতি দোসর, আর এই নিয়েই রাজনীতি রাজধানীতে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    একে তো তাপপ্রবাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত, তার উপর বিদ্যুৎ ঘাটতি দোসর, আর এই নিয়েই রাজনীতি রাজধানীতে
    নয়াদিল্লি, ১০ জুন : একে অসহ্য গরমে টেকা দায়, তার উপর প্রচন্ড বিদ্যুৎ ঘাটতিতে নাজেহাল রাজধানীর বাসিন্দারা।

    কেন্দ্রীয় বিদ্য়ুৎ মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল দিল্লির রবিষ্ঠ আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। দিল্লির এই বিদ্যুৎ ঘাটতির বিষয়ে আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে।

    গতকাল অর্থাৎ সোমবার দিল্লির তাপমাত্রা ছিল ৪৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬ ডিগ্রি বেশি। গত দশবছরের মধ্যে এদিনের তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ। আজকেও স্বস্তি মেলার সম্ভাবনা নেই। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, অন্ততপক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজধানীতে এই তাপপ্রবাহ চলবে।

    এদিকে রাজধানীর বিদ্যুৎ ঘাটতিকে হাতিয়ার করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে। এই সমস্যার জন্য কংগ্রেসেকেই দায়ী করেছে বিজেপি। বিজেপির দাবি, গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা ১৫ বছর ধরে কংগ্রেস শাসনক্ষমতায় ছিল, অথচ এবিষয়ে কোনও পদক্ষেপই তৎকালীন সরকার নেয়নি, সেই কারণেই এই দুর্দশা।

    বিদ্যুৎ মন্ত্রী পবন গোয়েলের অভিযোগ, বিদ্যুতের সরবরাহ ও বন্টনের এ সমস্যা একদিনের নয়, বছরের পর বছর ধরে এ ঘাটতি সমস্যা তৈরি হয়েছে, কংগ্রেস এবিষয়টিকে কখনও গুরুত্বই দেয়নি। আর তারই খেসারত এখন দিতে হচ্ছে।

    এই দড়ি টানাটানি থেকে বাদ পড়েনি আম আদমি পার্টিও। কংগ্রেসকে গদিচ্যুত করে ৪৯ দিনের জন্য দলের প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে দিল্লির শাসনে ছিল আপ। এই সময়ের জন্য বিদ্যুতের দামে ৫০ শতাংশ ছাড় দেয় আপ। কিন্তু আপের এই পদক্ষেপকে সমালোচকরা অযৌক্তিক ও জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য প্রচার বলে নিন্দা করেন।

    আপ নেতা মনীশ শিশোদিয়া জানিয়েছেন, আপ সরকারের শাসনকালে ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল, এবং তার দামও অনেক কম ছিল।

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more