হায়দরাবাদ থেকে পায়ে হেঁটে বাংলায় ফেরার পথে রাস্তাতেই মৃত্যু পরিযায়ী শ্রমিকের
হায়দরাবাদ থেকে পায়ে হেঁটে বাংলায় ফেরার পথে রাস্তাতেই মৃত্যু পরিযায়ী শ্রমিকের
পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজ দেশে ফেরার ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা তেমনই এখনও ভিন রাজ্যে আটকে লক্ষ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের দুর্ভোগ চরমে উঠছে। এমতাবস্থায় হায়দরাবাদ থেকে পায়ে হেঁটে বাংলায় ফেরার পথে রাস্তাতেই মৃত্যু হল এক পরিযায়ী শ্রমিকের।

দেশজুড়ে লাগাতার দুর্ভোগের শিকার পরিযায়ী শ্রমিকেরা
ভিনরাজ্যে আটকে থাকা শ্রমিকদের ফেরাতে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন বা বাস চালু হলেও অনেকেই অর্থাভাবে সেগুলিতে চড়তে পারছেন না বলে খবর। অনেকেই নিকটবর্তী স্টেশন বা বাসস্টপ থেকে দূরদূরান্তে থাকার ফলে লকডাউনে সঠিক পরিবহনের সুবিধাও পারছেন না। যার জেরে লাগাতার দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে বলে খবর।

হায়দ্রাবাদে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন ওই পরিযায়ী শ্রমিক
এরকমই সঙ্কটজনক অবস্থায় হায়দ্রাবাদ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ফিরছিলেন বছর ষাটের পরিযায়ী শ্রমিক হায়ার মোহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন তার ভাইপো। তারা দুজনের হায়দরাবাদে রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন বলে জানা গেছে। ক্লান্তি, গরম ও দীর্ঘ অনাহারের জেরে শুক্রবার ওড়িশার বালাসোর জেলার সোরোর কাছে মারা যান ওই বৃদ্ধ শ্রমিক।

১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারেই রাত কাটানোর সিদ্ধান্ত
হায়দরাবাদে তারা এতদিন যে নির্মান সংস্থার অদীনে কাজ করতে সেটি লকডাউনের পর থেকেই বন্ধ হয় যায়। এরপর অর্থাভাবে জেরবার হয়ে গত পাঁচদিন আগে তারা হায়দ্রাবাদ থেকে বাংলার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন বলে জানা পুলিশ সূত্রে খবর। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে সোরো পৌঁছান বলে জানা যায়। সেখানেই ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে একটি দোকানের বারান্দায় রাতে একটু জিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ
কিন্তু পরদিন সকালে উঠে দেখা যায় অচেতন অবস্থায় পড়ে রয়েছেন হায়ার। এরপর তার ভাইপো দ্রুত পুলিশে খবর দিলে পুলিশ তাকে হাসাপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ডাক্তাররা। বর্তমানে তার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।












Click it and Unblock the Notifications