• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    উত্তরপ্রদেশে সুইস দম্পতিকে ইঁট ছুঁড়ে হামলা, লাঠি দিয়ে মারধর, রিপোর্ট তলব সুষমার

    ভারতে অতিথিকে ভগবানের সঙ্গে তুলনা করা হয়। ভারতীয় কৃষ্টিতে এই ধারণা মজ্জাগত। তবে কিছু ঘটনা এমন ঘটে যেখানে লজ্জায় মুখ লোকানোর জায়গা থাকে না। উত্তরপ্রদেশের ফতেহপুর সিক্রিতে সেরকমই কিছু ঘটল। বিদেশি এক দম্পতিকে হেনস্থা ও মারধরের ঘটনায় ফের একবার মুখ পুড়ল উত্তরপ্রদেশ সরকারের।

    উত্তরপ্রদেশে সুইস দম্পতিকে ইঁট ছুঁড়ে হামলা, লাঠি দিয়ে মারধর

    কুইন্টিন জেমেরি ক্লার্ক গত ৩০ সেপ্টেম্বর বান্ধবী মেরি ড্রোজকে নিয়ে ভারতে আসেন। একদিন আগ্রায় থেকে ফতেহপুর সিক্রিতে আসেন। সেখানে স্থানীয়রা তাদের দেখে নানা উক্তি করতে থাকেন। প্রথমা তাঁরা বোঝেননি। পরে তাদের জোর করে দাঁড় করিয়ে মেরি নামে যুবকীর সঙ্গে সেলফি তোলা হয়।

    হেনস্থা করতে করতেই উন্মত্তরা আক্রমণ করে। ক্লার্ককে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী ছাড়া হয়নি ড্রোজকেও। তাঁরও হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ক্লার্ককে যেভাবে মারা হয়েছে তাতে তিনি ভবিষ্যতে কানে শুনতে পাবেন কিনা তা নিয়ে নিশ্চয়তা নেই।

    সুইজারল্যান্ডের বাসিন্দা এই দুজনে দিল্লির হাসপাতালে শুয়ে বলেছেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন না কেন এভাবে আক্রমণ করা হল। তাদের কোনও মূল্যবান জিনিসও দুর্বৃত্তরা নিয়ে যায়নি। তাহলে কেন মারধর করা হল, এটা এখনও তাদের বোধগম্য হচ্ছে না।

    এই ঘটনা জানতে পেরেই উত্তরপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে বিদেশমন্ত্রকের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছে। সুষমা স্বরাজ নিজে ঘটনা টুইট করে জানিয়েছেন। ঘটনা জেনেই তিনি রিপোর্ট তলব করেছেন।

    English summary
    Swiss couple harrassed in Agra, then thrash them brutally, MEA Sushma Swaraj asks report from UP govt
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more