• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    'স্বচ্ছ ভারত অভিযান' নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের নয়া রিপোর্টে দারুণ স্বস্তিতে মোদী সরকার

    স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রাণ বাঁচিয়েছে কয়েক লক্ষ শিশুর। নরেন্দ্র মোদী সরকারকে স্বস্তি দিয়ে এমনই রিপোর্ট সামনে আনল রাষ্ট্রপুঞ্জ। ২০১৭ সালে ভারতে শিশু মৃত্যুর হার নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জ যে রিপোর্ট পেশ করেছে তাতে এই তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, ভারতে শিশুমৃত্যুর হার ২০১৭ সালে এসে আগের চেয়ে অনেকটাই কমে গিয়েছে। দুই বছর আগে এই হার ছিল ১০ লক্ষের বেশি। তা এখন ২ লক্ষ কমে হয়েছে বছরে ৮ লক্ষ ২ হাজার জন। প্রতিকারযোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া শিশু মৃত্যুর হার আগের চেয়ে কমছে বলেও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    Swachh Bharat

    রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, পরিস্রুত পানীয় জল, হাত ধুয়ে খাওয়া, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, পরিচ্ছন্ন শৌচ ব্যবহার ইত্যাদি নানা কারণে ডায়রিয়া সহ জলবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমে গিয়েছে।

    নোংরা শৌচালয় ও দূষিত পানীয় জলের কারণে শিশু বয়সে ৮৮ শতাংশ ক্ষেত্রে ডায়রিয়া হতে পারে। তা থেকে নানা ক্রনিক রোগ শরীরে বাসা বাঁধে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, নানা ধরনের সংক্রমণে শিকার হয় শরীর। তার মধ্যে অন্যতম হল টিবি ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ।

    ভারতে খোলা শৌচমুক্ত করার ডাক

    তবে স্বচ্ছ ভারত অভিযান চালু করার পরে ২০১৯ সালের মধ্যে ভারতকে খোলা শৌচ থেকে মুক্ত করার ডাক দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে যেখানে প্রতি হাজার জনে পাঁচ বছরের শিশুর মৃত্যুর হার ছিল ৪৩, তা এক বছরের মধ্যে ২০১৬ সালে নেমে এসেছে ৩৯ জনে।

    ২০১৪ সালে ভারতে স্বচ্ছ ভারত অভিযান চালু হয়। তারপর থেকে গ্রামীণ এলাকায় ৮ কোটি ৫২ লক্ষ শৌচালয় তৈরি হয়েছে। যার ফলে দেশের ৭১৮টি জেলার মধ্যে ৪৫৯টিকে খোলা শৌচ মুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। গ্রামীণ ভারত পরিচ্ছন্ন হওয়ায় রোগভোগের পরিমাণ কমেছে ও মানুষের স্বাস্থ্য উন্নত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

    কমেছে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব

    যে জেলাগুলিকে খোলা শৌচ মুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে সেই অঞ্চলে শিশুদের ডায়রিয়া সহ অন্য রোগের প্রাদুর্ভাব কমে গিয়েছে। কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ১০টি জেলায় সমীক্ষা চালিয়ে এই রিপোর্ট উঠে এসেছে। হিন্দুস্তান টাইমস সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের পেশ করা স্বচ্ছতা সম্পর্কিত এই রিপোর্ট।

    শৌচ মুক্ত জেলাগুলিতে ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯.৩ শতাংশ। যেখানে অরক্ষিত অঞ্চলে তা অন্তত ১৩.৯ শতাংশ বলে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করেছে। ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে কম কর্ণাটকে, আর সবচেয়ে বেশি মধ্যপ্রদেশে বলে জানা গিয়েছে।

    খোলা শৌচ মুক্ত এলাকায় মহিলাদের স্বাস্থ্যে উন্নতি

    সমীক্ষা বলছে, শৌচ মুক্ত জেলায় মায়েদের স্বাস্থ্যও খোলা শৌচ এলাকার মায়েদের চেয়ে ভালো। যে অঞ্চলে পাইপের মাধ্যমে জল পৌঁছে যাচ্ছে সেখানেও জলবাহিত নানা রোগের প্রাদুর্ভাব অন্য এলাকার চেয়ে অনেক কম বলে জানানো হয়েছে।

    'স্বচ্ছ ভারত'-মিশন প্রকল্প শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে। এই প্রকল্পের সূচনা করেন নরেন্দ্র মোদী। এরপর দেশজুড়ে সবমহলেই প্রশংসিত হয়েছে এই প্রকল্প। মূলত স্বচ্ছ ভারতের জন্যই শৌচ ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে বিপুল প্রচার ও উদ্যোগ নেওয়া হয়। যার সুফল হিসাবেই সারা দেশে শিশুমৃত্যুর হার কমেছে। স্বচ্ছ ভারতে স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে এবং তা যাতে মানুষ মেনে চলে তার জন্য প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। দলমত নির্বিশেষে সকলেই স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পকে সাদরে গ্রহণ করেছে। অরবিন্দ কেজরিওয়াল থেকে শুরু করে সচিন তেন্ডুলকররাও এই স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে অংশ নিয়েছেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা একটা সমাজে কতটা পরিবর্তন ঘটাতে পারে তা রাষ্ট্রপুঞ্জের এই রিপোর্টেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।

    English summary
    Swachh Barat Mission has played a key role in reducing under-five mortality rates in India, indicates UN report
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more