বড় শহর গুলিতেই করোনা সচেতনতা সবথেকে বেশি , বলছে সমীক্ষা
বড় শহর গুলিতেই করোনা সচেতনতা সবথেকে বেশি , বলছে সমীক্ষা
টায়ার-২ ও টায়ার-৩ ধাপের শহরগুলির থেকে টায়ার-১ ধাপের শহর অর্থাত্ তুলনামূলকভাবে বড় শহরগুলিতে নাগরিকদের করোনা সচেতনতা বেশি। আইআইটি হায়দ্রাবাদ ও আইআইটি বম্বের যৌথ উদ্যোগে সংঘটিত অনলাইন সার্ভেয় উঠে এল এমনই তথ্য।

১৯০০ জনের উপর চলে সমীক্ষা
আইআইটি হায়দ্রাবাদ কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে জানা যায়, লকডাউনের আগে থেকে লকডাউন পরবর্তী সময়ের মাঝে মানুষের মনের অবস্থা ও ভ্রমণ বা সামাজিক দূরত্বের ফলে জনসাধারণের মনের কিরূপ পরিবর্তন হচ্ছে, তা জানার জন্য গবেষকরা প্রায় ১৯০০জনের উপর অনলাইনে সমীক্ষা চালান এবং সমীক্ষায় উঠে আসে যে টায়ার-১ ধাপের শহরের নাগরিকদের করোনা সচেতনতা টায়ার-২ টায়ার-৩-এর নাগরিকদের থেকে বেশি।

সমীক্ষায় উঠে এলো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
সমীক্ষার মাধ্যমে আরো জানা গেছে যে, টায়ার-১ ধাপের শহরগুলিতে করোনার প্রভাব ছড়ানোর তিনসপ্তাহের মধ্যে প্রায় ১২% মানুষ গৃহবন্দি হন, টায়ার-২ ও টায়ার-৩ ধাপের শহরগুলির ক্ষেত্রে সংখ্যাটি প্রায় যথাক্রমে ৯% ও ৭%। ১৯০০ জনের প্রায় ৪৮% মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কর্মক্ষেত্রে যাতায়াত বন্ধ রেখেছেন, কিন্তু ২৮%-এর ক্ষেত্রে ব্যাপারটি সম্পূর্ণ উল্টো বলে জানা যায়।

সমীক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝান গবেষকেরা
কোভিড-১৯-এর মোকাবিলার স্বার্থে এই সমীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান আইআইটি হায়দ্রাবাদের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দিগ্বিজয় এস. পাওয়ার। তিনি আরও জানান যে, নিত্যভ্রমণের ধাঁচ বদলে যাওয়ার ফলে ভ্রমণ কর্তাদের যাত্রীসুরক্ষা ও যাত্রী পরিবহন নিয়ে নব নিয়ম লাঘু করতে সুবিধা হবে। গবেষকরা কোভিড-১৯-এর আবহে যাত্রী পরিবহন কমে যাওয়ার ফলে পরিবেশের উপর প্রভাব বিষয়েও একটি সমীক্ষা করতে আগ্রহী।












Click it and Unblock the Notifications