• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা লকডাউনে স্তব্ধ দেশ, ৪২ শতাংশ শ্রমিকের ঘরে নেই ১ দিনেরও রেশন

  • |

করোনা সংকটের জেরে ২১ দিনের লকডাউনে স্তব্ধ গোটা দেশ। পুরোপুরি বন্ধ পরিবহন ব্যবস্থা। লকডাউন শুরু হতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিবাসী শ্রমিকদের দুঃখ দুর্দশার চিত্রটা ক্রমশ প্রকট হতে শুরু হয়। রাজ্যের সীমান্ত পারাপারের সময় তাদের গায়ে জীবাণুনাশক ছড়ানোর মতো একাধিক অমানবিক কাজ করার অভিযোগ উঠে আসে।

কাজ হারিয়েছেন ৯২.৫ শতাংশ শ্রমিক

কাজ হারিয়েছেন ৯২.৫ শতাংশ শ্রমিক

এদিকে এই বিষয়ে ৩১৯৬ জন অভিবাসী নির্মাণ শ্রমিকদের উপর একটি সমীক্ষা চালানো হয়। সেখানে উঠে আসে আরও ভয়াবহ চিত্র। সমীক্ষা থেকে উঠে আসা তথ্যে দেখা যায় ইতিমধ্যেই ৯২.৫ শতাংশ শ্রমিক এক সপ্তাহ থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত কাজ হারিয়ে ফেলেছে। যার জেরে চরম সংকটে পড়েছেন তারা।

নূন্যতম বেতনের পক্ষে সওয়াল সুপ্রিম কোর্টের

নূন্যতম বেতনের পক্ষে সওয়াল সুপ্রিম কোর্টের

এদিকে কয়েকদিন করোনা সংকটে অভিবাসী শ্রমিকদের নূন্যতম বেতনের পক্ষে সওয়াল করতে দেখা যায় সুপ্রিম কোর্টকে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে কেন্দ্রকে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

লকডাউন ২১ দিনেরও বেশি অব্যাহত থাকলে চরম সমস্যায় পড়বেন ৬৬ শতাংশ শ্রমিক

লকডাউন ২১ দিনেরও বেশি অব্যাহত থাকলে চরম সমস্যায় পড়বেন ৬৬ শতাংশ শ্রমিক

এদিকে জন সাহস নামে একটি এনজিও-র তরফে উত্তর-মধ্য ভারতে টেলিফোন এই সমীক্ষায় দেখা যায় ৪২ শতাংশ শ্রমিক উল্লেখ করেছেন তাদের কাছে বর্তমানে এক দিনেরও রেশন মজুত নেই। একইসাথে ওই জরিপে আরও দেখা গেছে লকডাউন ২১ দিনেরও বেশি অব্যাহত থাকলে ৬৬ শতাংশ শ্রমিক এক সপ্তাহেরও বেশি তাদের পরিবারের খরচ চালাতে পারবেন না।

মোদীকে নিরোর সঙ্গে তুলনা ফিরহাদের! হীরক রাজ নয়, শেষ অঙ্কে উদয়ন পণ্ডিতদের জয় হবে, বললেন সূর্য

English summary
survey reveals 42 percent migrant worker are left with no ration for the day
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more