• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লকডাউনে রাজাবাজারের ছবি নিয়ে মহিলাকে হেনস্থার অভিযোগ! সুপ্রিম কোর্টের নিশানায় কলকাতা পুলিশ

  • |

সরকারের সমালোচনা করায় সাধারণ মানুষকে কখনই হয়রানির মধ্যে ফেলা যায় না। নির্দেশিকায় এমনটাই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (supreme court)। কলকাতায় (kolkata) লকডাউনের সময় ভিড়ের রাজাবাজারের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করে লকডাউন কার্যকর করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কতটা উদ্যোগী তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দিল্লিবাসী এক মহিলা। যার জন্য তাঁকে ডেকে পাঠায় কলকাতা পুলিশ( kolkata police)।

লকডাউনে রাজাবাজারের ভিড়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়

লকডাউনে রাজাবাজারের ভিড়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায়

রোশনি বিশ্বাস নামে দিল্লির এক বাসিন্দা কলকাতায় লকডাউনের সময়ে রাজাবাজারের ভিড়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। করোনা মোকাবিলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছিলেন তিনি।

কলকাতা পুলিশের সমনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে

কলকাতা পুলিশের সমনকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে

এরপর ওই মহিলাকে কলকাতা পুলিশের সামনে হাজির হওয়ার জন্য সমন পাঠায় কলকাতা পুলিশ। যার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন দিল্লিবাসী বাঙালি মহিলা। এই মামলায় বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের পাশাপাশি ভর্ৎসনা করে কলকাতা পুলিশকে।

 মুক্ত দেশে থাকতে দিন

মুক্ত দেশে থাকতে দিন

এব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, যদি কোনও বিদেশি ব্যক্তি এই দেশের সরকারের বিরুদ্ধে কিছু লেখেন, তাহলে সেই ব্যক্তিকে কি কলকাতা, চণ্ডীগড় কিংবা মনিপুরে, হাজির হতে বলতে পারবে সরকার? বলতে পারবে, এবার তাকে উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। এটি একটি বিপজ্জনক প্রবণতা বলে মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এর থেকে দেশকে মুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। আদালত বলেছে, নাগরিকের বাক স্বাধীনতা রক্ষা করতে প্রয়োজনে হস্তক্ষেপ করতে হবে।

সওয়াল মহেশ জেঠমালানির

সওয়াল মহেশ জেঠমালানির

রোশনি বিশ্বাস ৫ জুন কলকাতা হাইকোর্ট থেকে পুলিশের সমনের বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ পান। যেখানে বলা হয়েছিল লকডাউন উঠলে তিনি হাজিরা দেবেন। কলকাতা হাইকোর্টের কাছে এফআইআর বাতিলেরও দাবি করেন ওই মহিলা। যে এফআইআরটি কলকাতা পুলিশ করেছিল ১৩ মে। ওই মহিলার বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়া, মানহানি, সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরির অভিযোগ আনে এনেছিল কলকাতা পুলিশ। হাইকোর্ট তাঁকে বলে ২৯ সেপ্টেম্বর পুলিশের সামনে হাজিরা দিতে। এরপর এই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান ওই মহিলা। সুপ্রিম কোর্টে ওই মহিলার হয়ে সওয়াল করেন মহেশ জেঠমালানি।

আগেও হেনস্থায় অভিযুক্ত কলকাতা ও রাজ্য পুলিশ

আগেও হেনস্থায় অভিযুক্ত কলকাতা ও রাজ্য পুলিশ

তবে রোশনি বিশ্বাসের হেনস্থার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এর আগেও শাসকদলের কর্তাদের সমালোচনা করায় পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। বাংলায় তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর এব্যাপারে যাঁর নাম সব থেকে আগে সামনে আসে তিনি হলেন অম্বিকেশ মহাপাত্র। তিনি সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৎকালীন তৃণমূলের দ্বিতীয় ব্যক্তি মুকুল রায়ের একটি কার্টুন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন, যার জন্য তাঁকে হাজত বাস করতে হয়েছিল। গত বছরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করার জন্য কংগ্রেস নেতা সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজর বাস করতে হয়েছে। আর এবছরে পিপিই কিট নিয়ে অভিযোগ তোলায় ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ইন্দ্রনীল খানকে থানায় ডেকে আটক করার অভিযোগও উঠেছে।

সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট করলেই হেনস্থা নয়, কলকাতা পুলিশকে ধমক সুপ্রিম কোর্টের

English summary
Supreme Court says Ordinary citizens cannot be harassed for ciriticising Govt on Kolkata Police's decision
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X