আধ্যাত্মিক গুরু মামলার শুনানির সময় ব্রিটনি স্পিয়ার্স কেস প্রসঙ্গ টানল সুপ্রিম কোর্ট
আধ্যাত্মিক গুরু মামলার শুনানির সময় ব্রিটনি স্পিয়ার্স কেস প্রসঙ্গ টানল সুপ্রিম কোর্ট
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট একটি মামলার শুনানির সময় আমেরিকার বিখ্যাত পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্সের একটি মামলার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। এদিন শীর্ষ আদালতে ৪২ বছরের এক আধ্যাত্মিক গুরু আবেদন জানিয়েছেন যে তাঁর ২১ বছরের সঙ্গীনিকে তাঁর মা–বাবার হেফাজত থেকে মুক্ত করা হোক।

আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের কাছে কেরল হাইকোর্টের হাবিয়াস কোর্পাস আর্জিকে বাতিল করে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতকে তাঁর 'আধ্যাত্মিক সঙ্গীনিকে’ মা–বাবার কবল থেকে মুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি এও জানান যে তাঁর সঙ্গীনিকে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে যে কেরলের বাসিন্দা ২১ বছরের তরুণীর সঙ্গে 'আধ্যাত্মিক গুরুর’ সম্পর্ক শুরু হয় কিন্তু তরুণীর অভিভাবক জানান যে তাঁদের মেয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে সুপ্রিম কোর্টের মুখ্য বিচারপতি এনভি রমানা ও বিচারপতি এএস বোপান্না ও হৃষিকেশ রায়ের বেঞ্চ এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। সুপ্রিম কোর্ট বলে, 'এই মামলায় আমরা কোনও হস্তক্ষেপ করব না। হাইকোর্ট বলেছে মেয়েটির মানসিক অবস্থা ঠিক নয়।’
এরপর আদালত ব্রিটনি স্পিয়ার্সের মামলার প্রসঙ্গ টেনে জানান যে পপ গায়িকা তাঁর বাবা ও অন্যান্যদের রক্ষণশীলতা অবসানের জন্য আইনি লড়াই লড়ছেন। ৩৯ বছরের মার্কিন তারকা জানিয়েছেন তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণে বাধ্য করা হচ্ছে। এমনকি প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে করতে ও আরেক সন্তান নিতেও তাকে বাধা দেওয়া হচ্ছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের আদালতে তিনি আবেদন করেছেন। সুপ্রিম বেঞ্চ বলে, 'এক সপ্তাহ আগে আমেরিকায় একটি মামলা হয়েছিল। সেখানকার আইন, শর্ত ও সংস্কৃতি ভিন্ন। সেখানে, যদি কোনও প্রাপ্তবয়স্ক সম্মতি না দেয় তবে চিকিৎসার প্রশ্নই আসে না। এখানে, পুলিশকে আসতে হবে এবং যোগাযোগ করতে হবে। পরিবার প্রশ্নের মুখোমুখি হবে।’ আদালত লক্ষ্য করেছে যে মা–বাবা উভয় অভিভাবকই জানিয়েছে যে তাঁদের মেয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, 'ভারতের কোনও অভিভাবকই এই কথা বলবে না। এই মামলায়স মা–বাবা উভয়ই বলছেন তাঁদের মেয়ে অসুস্থ। তাকে তাঁরা ওই ব্যক্তির কাছে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন এবং এখন ওই ব্যক্তি বলছে তাঁর সঙ্গে ওই তরুণীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এটি আত্মবিশ্বাসকে অনুপ্রাণিত করে না।’ সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এমন বহু ঘটনার কথা উল্লেখ করেন যেখানে তরুণীদের প্রভাবিত করে আধ্যাত্মিক গুরু ও বাবারা।












Click it and Unblock the Notifications