• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আজ শীর্ষ আদালত থেকে অবসর নিচ্ছেন 'বিদ্রোহী' বিচারপতি জাস্তি চেলামেশ্বর

আজ শুক্রবার সুপ্রীম কোর্ট থেকে অবসর নিচ্ছেন বিচারপতি জাস্তি চেলামেশ্বর। একটু ব্যাতিক্রমী পথে হেঁটে সুপ্রীম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশনের বিদায় সম্বর্ধনার আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। অবশ্য তিনি বরাবরই একটু আলাদাই। সে দেশের প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহী সাংবাদিক সম্মেলনই হোক, কী গোপনীয়তার অধিকারের পক্ষে রায় দেওয়া।

অবসর নিচ্ছেন বিচারপতি জাস্তি চেলামেশ্বর

১৯৫৩ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণা জেলায় জন্ম তাঁর। প্রথমে ফিজিক্স নিয়ে পড়লেও পরে বিশাখাপত্তনমের অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি লাভ করেন। ২০০৬-এ তিনি গুয়াহাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হন, ২০১০-এ সেখান থেকে বদলি হয়ে কেরালা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব নেন। ২০১১ সালেই তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি মনোনীত হন।

সুপ্রীম কোর্টে থাকাকালীন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেও চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তিনি সুপ্রীম কোর্টের আরও তিন সিনিয়র বিচারপতিকে সঙ্গে নিয়ে যে অভূতপূর্ব সাংবাদিক বৈঠক করেন - তার জন্যই তিনি সবচেয়ে আলোচিত হয়েছেন। বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, এম বি লোকুর এবং কুরিয়ান জোসেফ-কে নিয়ে, বিচারপতি চেলামেশ্বর বিভিন্ন মামলার ক্ষেত্রে ভারতের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

যে ৯ বিচারপতির বেঞ্চ গোপনীয়তাকে একটি মৌলিক অধিকার বলে রায় ঐতিহাসিক রায় দিয়েছিল তারও অংশ ছিলেন বিচারপতি চেলামেশ্বর। তিনি বলেন সংবিধান যে বাঁচার ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারের কথা বলে, গোপনীয়তা তার অন্যতম অংশ।

বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও তিনি স্বচ্ছতা আনার দাবিতে বিদ্রোহী হন। সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি মনোনিত করে সুপ্রীম কোর্টেরই বিচারকদের একটি কলেজিয়াম। এই প্রক্রিয়া কিভাবে হয়, কাদের নাম আলোচনায় আসে তা আগে জনসাধারণের পক্ষে জানা সম্ভব ছিল না। কোথাও নথিভুক্তও ককরা হত না। স্বচ্ছতা না থাকায় তিনি বেশ কয়েকটি কলেজিয়ামে অংশ নেননি। শেষে সুপ্রীম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ শুরু হলে তিনিও যাওয়া শুরু করেন।

তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৬এ ধারায় ইন্ট্রানেটে আপত্তিকর কনটেন্ট পোস্ট করার অভিযোগে ভারতে পুলিশ কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারত। কিন্তু বিচারপতি চেলামেশ্বরের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ সেই আইনটি বাতিল করে। আধার নিয়ে তাঁর নেতৃত্বাধীন তিন বিচারকের বেঞ্চ রায় দিয়েছিল আধার কার্ড নেই বলেই কোনও যোগ্য ব্যক্তি সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন না, তা হবে না।

এরকমই ব্যতিক্রমী ও দৃঢ়চেতা ছিলেন বিচারক জাস্তি চেলামেশ্বর। শুক্রবার তিনি ৬৫ বছরে পা দিচ্ছেন। তিনি অবসরে যাওয়ায় সুপ্রীম কোর্টের এক ব্যাতিক্রমী অধ্যায় শেষ হল বলে মনে করছেন অনেকেই।

English summary
Supreme Court judge Jasti Chelameswar who revolted against CJI, to demit office on Friday.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more