৩৭০ ধারা বিলোপ! বক্তব্য জানাতে কেন্দ্রকে ৪ সপ্তাহ সময় সুপ্রিম কোর্টের
জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার বিরোধিতা করে সর্বোচ্চ আদালতে যে আবেদনগুলি জমা পড়েছে, তার জবাব দিতে কেন্দ্রকে ৪ সপ্তাহ সময় দিল সর্বোচ্চ আদালত। এদিন বিচারপতি এনভি রামানার নেতৃত্বে সাংবিধানিক
জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার বিরোধিতা করে সর্বোচ্চ আদালতে যে আবেদনগুলি জমা পড়েছে, তার জবাব দিতে কেন্দ্রকে ৪ সপ্তাহ সময় দিল সর্বোচ্চ আদালত। এদিন বিচারপতি এনভি রামানার নেতৃত্বে সাংবিধানিক বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ১৪ নভেম্বর।

কেন্দ্র ৫ অগাস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করে। পাশাপাশি রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়।
প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর কাছে অভিযোগ করা হয়েছিল, কাশ্মীরে কমিউনিকেশন ব্ল্যাক আউটের কথা। পাশাপাশি শিশুদের আটক করার অভিযোগও করা হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বাধীন বিশেষ বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, তাদের হাতে শুনানির কোনও সময় নেই। কেননা তাঁরা অপর একটি সাংবিধানিক বেঞ্চের শুনানিতে যুক্ত রয়েছেন। প্রসঙ্গত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্ব অপর একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ রাম জন্মভূমি বাবরি মসজিদ বিতর্কের শুনানি চালাচ্ছে।
এদিনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে অভিযোগের জবাব দিতে কেন্দ্রকে চার সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়। কেন্দ্রের তরফে আদালতে হাজির ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেনুগোপাল। শুনানিতে তিনি কাউন্টার এভিডেভিট দাখিল করতে চান এবং চার সপ্তাহ সময় চান। জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের তরফে হাজির হয়েছিলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মিশ্র।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদিন অ্যাডভোকেট এমএল শর্মার আবেদনটি প্রথম শোনেন সাংবিধানিক বেঞ্চের বিচারপতিরা। এমএল শর্মা রাষ্ট্রপতির জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশ জারির পরের দিনই তাঁর আবেদন দাখিল করেছিলেন।
৩৭০ ধারা নিয়ে শুনানির জন্য শনিবার সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। এনভি রামানার নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চের বাকি বিচারপতিরা হলে এসকে কাউল, আর সুভাষ রেড্ডি, বিআর গভাই এবং সূর্যকান্ত।












Click it and Unblock the Notifications