৮ রাজ্যে হিন্দুদের সংখ্যালঘু ঘোষণার দাবিতে করা আবেদন খারিজ সুপ্রিমকোর্টের
ধর্মের কোনও সীমানা নেই, এই বিষয়টা দেশব্যাপী হিসাবে দেখা উচিত। ৮ রাজ্যের হিন্দুদের জন্য সংখ্যালঘুদের সুবিধা চাওয়ার আবেদন খারিজ করে বলল সুপ্রিমকোর্ট।
ধর্মের কোনও সীমানা নেই, এই বিষয়টা দেশব্যাপী হিসাবে দেখা উচিত। ৮ রাজ্যের হিন্দুদের জন্য সংখ্যালঘুদের সুবিধা চাওয়ার আবেদন খারিজ করে বলল সুপ্রিমকোর্ট। ভারতের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ জানিয়েছে যে এই মামলায় কোনও নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়। পাশাপাশি বলটি সরকারের কোর্টে ঠেলে দিয়ে আদালত জানিয়ে দেয়, কোনও সম্প্রদায়কে সংখ্যালঘু ঘোষণা করতে পারে সরকার। এটা ঠিক করা সরকারের কাজ, আদালতের নয়।

২৬ বছর পুরোনো কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের ২৬ বছর পুরনো বিজ্ঞপ্তির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এই আবেদনটি করা হয়েছিল। ২৬ বছর পুরোনো সেই বিজ্ঞপ্তিতে পার্সি, জৈন, খ্রিস্টান, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এই পাঁচটি সম্প্রদায়কে সংখ্যালঘু তালিকাভুক্ত করেছিল সরকার।

কী বললেন প্রধান বিচারপতি?
মামলার অন্যতম আবেদনকারী তথা বিজেপি নেতা অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়কে প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে বলেন, 'এলাকা ভিত্তিতে ভাষা ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। তবে ধর্মের কোনও নির্দিষ্ট সীমানা থাকতে পারে না। এই ক্ষেত্রে আমাদের প্যান-ইন্ডিয়ার পদ্ধতিই অবলম্বন করতে হবে। লক্ষদ্বীপে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা হিন্দু আইন অনুসরণ করেন। আমরা আবেদনকারীর সঙ্গে একমত নই। আমরা এই বিষয়ে কী করে কোনও নির্দেশিকা দিতে পারি? আদালত কাউকে সংখ্যালঘু হিসাবে ঘোষণা করে না, এটা সরকারের কাজ।'

কোন ৮টি রাজ্যে সংখ্যালঘু হিন্দুরা?
সুপ্রিম কোর্ট এর আগে ৮টি রাজ্যের হিন্দুদের সংখ্যালঘু জনসংখ্যা হিসাবে ঘোষণা করা নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপালের সঙ্গেও পরামর্শ করে। এদিকে অশ্বিনী কুমারের আবেদন ছিল যে পাঞ্জাব, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মেঘালয়, অরুণাচলপ্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মী এবং লক্ষদ্বীপে হিন্দুদেরকে সংখ্যালঘু ঘওষণা করা হোক।












Click it and Unblock the Notifications