চিড়ে চিবিয়ে দিন গুজরান দিল্লিতে আটকে থাকা মালদার শ্রমিকের, রাজ্যে ফিরে শোনালেন কষ্টের কথা

চিড়ে চিবিয়ে দিন গুজরান দিল্লিতে আটকে থাকা মালদার শ্রমিকের, রাজ্যে ফিরে শোনালেন কষ্টের কথা

২৫ মার্চ লকডাউন ঘোষমার পর তেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে অভিবাসী শ্রমিকের দল। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন কাজে আটকে রয়েছেন রাজ্যের অগুনতি মানুষও। কেউ গিয়েছেন পরিজনের বাড়ি তো কেউ চিকিত্সার পাড়ি দিয়েছেন অন্যত্র।

বৃহষ্পতিবার হাওড়া পৌঁছায় বিশেষ ট্রেন

বৃহষ্পতিবার হাওড়া পৌঁছায় বিশেষ ট্রেন

এদিকে এই সমস্ত মানুষকে ঘরে ফেরাতে ১৩ই মে থেকে নয়া দিল্লি থেকে ১৫ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর ঘোষণা করেছে রেল। সেই মতো বৃহস্পতিবার দুপুর ১২.২০ নাগাদ প্রায় ৯৫০ জন যাত্রী নিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি বিশেষ ট্রেন নয়াদিল্লি থেকে হওড়া স্টেশনে এসে পৌঁছায়।

সরকারি বাসে চড়েই বাড়ি উদ্দেশ্যে রওনা

সরকারি বাসে চড়েই বাড়ি উদ্দেশ্যে রওনা

ট্রেন থেকে নামার পরেই চলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা। পরবর্তীতে প্রতিটি জেলার নির্দিষ্ট বাসের উদ্দেশ্যে রওনা হন নিজ নিজ জেলার উদ্দেশ্যে। অনেকের বাড়ির লোককেই আগে থেকে প্রাইভেট গাড়ি নিয়ে স্টেশনের বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। দীর্ঘদিন পর কাছের মানুষদের দেখতে পেয়ে আবেগতাড়িতও হয়ে পড়তে দেখা যায় অনেকে।

চিড়ে চিবেয়েই দিন গুজরান মালদার শ্রমিকের

চিড়ে চিবেয়েই দিন গুজরান মালদার শ্রমিকের

এদিকে এই ট্রেনেই ফিরেছেন দিল্লিতে দর্জি কারখানায় কাজ করা মালদার বাসিন্দা বছর চব্বিশের আক্তার হোসেন। গত সাত বছর ধরে উত্তর-পূর্ব দিল্লির সেলিমপুরে সেলাইয়েক কারখানায় কাজ করতো আক্তার ও তার জনা ছয়েক বন্ধু। রাজ্যে ফেরার পরেই গত প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় ধরে দুঃখদুর্শশার মধ্যে কাটানো অভিজ্ঞতার কথা শোনা যায় তাদের মুখে। আক্তারের মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকার কাছাকাছি। যার বেশিরভাগটাই চলে যায় ঘর ভাডা় ও বাড়িতে পাঠাতে গিয়ে। বাড়িতে বাবা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন। তার বন্ধুদেরও কমবেশি একই বেতন। বর্তমানে এক বন্ধু থেকে টাকা ধার করে ট্রেনে টিকিট কেটে কোনোমতে বাড়ি ফিরেছেন তারা। তীব্র অর্থকষ্টের মধ্যে থেকে এই কদিন কোনোরকমে দুবেলা দুমুঠো চিড়ে চিবিয়েই দিন কেটেছে তাদের। কখনও কখনও এনজিও-র দেওয়া দুপুরের খিচুরিতেই কেটেছে সারাদিন। এদিক লকডাউনের পর থেকে সেলাই কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে রয়েছে।

সিমলা ঘুরতে গিয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনাল ডানকুনির পরিবার

সিমলা ঘুরতে গিয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনাল ডানকুনির পরিবার

একই রকমভাবে লকডাউনে পরিবারের সঙ্গে সিমলা ঘুরতে গিয়ে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন ডানকুনির বাসিন্দা কমলেশ শর্মা। কেষ্টপপরে তার একটি জুতোর দোকানও রয়েছে। ১৯ শে মার্চ কলকা মেলে চড়ে বাবা-মা স্ত্রীর সঙ্গে সিমলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তারা। ফেরার টিকিট ছিল ৩১শে মার্চ। এর পরে থেকে একটানা ৪০ দিনেরও বেশি সময় সিমলাতেই আটকে চিলেন তারা। অবশেষে চড়া ভাড়ায় প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করে বৃহষ্পতিবার সকালে নয়াদিল্লি স্টেশনে ফেরেন। সেখান থেকেই হাওড়ার ট্রেন ধরে অবশেষে বাড়ি ফিরতে সমর্থ হয়েছেন তারা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+