• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    উত্যক্ত করে নাবালিকার ওপর ছোরা চালিয়ে এই নৃশংস অত্যাচার চলল

    চণ্ডীগড় রাতের রাস্তায় বর্ণিকা কুণ্ডুকে উত্যক্ত করার ঘটনা নিয়ে উত্তাল হয় গোটা দেশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে কাটতেই উত্তরপ্রদেশের বালিয়াতে কয়েক জন যুবক এক কিশোরীকে উত্যক্ত করতে করতে তাকে হত্যা করে দেয়। বালিয়ার সেই কিশোরীকে উত্যক্ত করার ঘটনাও কিছু কম সমালোচিত হয়নি। আর এবার উত্যক্ত করার আরেক নৃশংস ঘটনা উঠে এল উত্তরপ্রদেশেরই সাহাজনপুরে।

    উত্যক্ত করে নাবালিকার ওপর ছোরা চালিয়ে এই নৃশংস অত্যাচার চলল

    সাহাজানপুরে দিনে দুপুরে এক ব্যাস্ত বাজার এলাকায় এক ১৫ বছর বয়সী নাবালিকার হাত ছোরা দিয়ে কেটে দিল কয়েকজন যুবক। জানা গিয়েছে বহুদিন ধরেই ওই নাবালিকাকে উত্য়ক্ত করছিল ১৯ বছর বয়সী বিনোদ চৌরাশিয়া নামের ওই যুবক ।শুধু তাই নয়, নাবালিকার আরেকটি হাতও কাটতে যাচ্ছিল ওই যুবক, তবে এলাকার ২০০ -৩০০ মানুষ ঘিরে ধরায় সেই নৃশংসতার দিকে আর এগোতে পারেনি বিনোদ।

    ঘটনার পরই গুরুতর আহত নাবালিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, বহুদিন ধরেই নাবালিকাকে উত্যক্ত করতে থাকে বিনোদ। দুজনে একই এলাকার বাসিন্দা। এরপর একদিন হঠাৎই বাজার এলাকায় ওই নাবালিকাকে দেখতে পেয়ে তার ওপর চড়াও হয় ওই যুবক। আপাতত নাবালিকার সুস্থতার অপেক্ষায় পুলিশ। সে সুস্থ হলেই তার বয়ান নেবে পুলিশ।

    English summary
    In the second case in a month, A 15-year-old girl was chased and attacked by a stalker who overpowered her and chopped her hand off with a sword in a busy market. The incident was reported from Lakhimpur district on Wednesday. The assailant was trying to chop off her other hand as well but was overpowered by a crowd of 200-300. He was later handed over to police.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more