• search

বেড়াতে গিয়ে বিপাকে! দ্রাসে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটকে কয়েক হাজার বাঙালি পর্যটক

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    লে-শ্রীনগরের রাস্তায় দ্রাসের কাছে পাহাড়ে ধসে বন্ধ যান চলাচল। মঙ্গলবার দুপুর থেকে বন্ধ রয়েছে যান চলাচল। সেখানে আটকে পড়েছে প্রায় ছয়হাজার গাড়ি। খাবার জল ঠিকভাবে না পাওয়ায় এবং এটিএম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরা। অন্য রাজ্যের পর্যটকদের সঙ্গে সেখানে প্রায় সাড়ে তিনহাজার বাঙালি পর্যটক আটকে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে কোনও রকমের সাহায্য পাওয়া যায়নি বলেই অভিযোগ পর্যটকদের।

    বেড়াতে গিয়ে বিপাকে! দ্রাসে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটকে কয়েক হাজার বাঙালি পর্যটক

    লে থেকে কাশ্মীরের পথে ধস। মঙ্গলবার দুপুরে ৪৩৪ কিমি দীর্ঘ শ্রীনগর-লে জাতীয় সড়ক ধসের কারণে বন্ধ। কাশ্মীরের সোনমার্গ ও দ্রাসের মাঝে সাইতান নালায় এই ধস নামে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের আধিকারিক। অন্যদিকে শ্রীনগর জম্মু ঐতিহাসিক মুঘল রোডে ট্রাফিকের কারণে শ্লথ।

    ধসের কারণে আটকে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বহু পর্যটক। রাজ্যেরই প্রায় সাড়ে তিনহাজার পর্যটক আটকে পড়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পর্যটকদের মধ্যে অনেকেই কোন্নগর কিংবা সোদপুরের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পর্যটকদের বেশিরভাগই মঙ্গলবার সকাল থেকে শ্রীনগরের পথে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু দুপুর দুটো নাগাদ দ্রাসের কাছে গিয়ে আটকে পড়েন।

    পর্যটকরা জানিয়েছে, সেখানে প্রথমের দিকে এক লিটার জলের বোতলের দাম ৪০ থেকে ৪০ টাকা। আর হাফ পাউন্ড রুটি মিলছে ২০ টাকায়। পরে তাও পাওয়া যায়নি। ২০০০ টাকার হোটেল ভাড়া পৌঁছে গিয়েছে ১০ হাজারে। এটিএম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরা।

    এলাকা দুর্গম হওয়ায় পর্যটকদের কাছে পৌঁছনো যায়নি বলে সাফাই দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবল ধস নামার পরেই বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের তরফ থেকে কাজ শুরু করা হয়েছে। অত্যাধুনিক মেশিন দিয়ে কাজ চলছে। বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পরেই গাড়ি চালানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানা গিয়েছে।

    English summary
    Srinagar-Leh highway closed due to landslides, tourists are in distress

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more