• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

তথ্যের অধিকার আইন সংশোধনীর তীব্র নিন্দা, চূড়ান্ত অবমাননা, মন্তব্য সোনিয়া গান্ধীর

তথ্য জানার অধিকার আইনকে ক্রমেই দুর্বল করে দিতে চাইছে বিজেপি সরকার। এমনকী তথ্য কমিশনারদের মেয়াদও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা চূড়ান্ত অবমাননার সমান, জানান সোনিয়া গান্ধী।

তথ্যের অধিকার আইন সংশোধন

কংগ্রেস সুপ্রিমো এক বিবৃতিতে বলেছেন, '‌তথ্য কমিশনাররা যে মোদী সরকারের হস্তক্ষেপ, অঙ্গুলিহেলন থেকে রেহাই পাবেন না, সরকারের পাশ করানো সংশোধনগুলিতে ,সেটাই নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদে এই সংশোধনীগুলির বিরোধিতা করেছি, কার্যক্ষেত্রেও করে যাব আমরা। আসমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে এভাবে টুকরো টুকরো করে ধ্বংস করার নিন্দা করছি এবং মোদী সরকারের স্বার্থপূরণকারী আচরণের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব, যা জাতীয় স্বার্থের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।’‌ বৃহস্পতিবার এভাবেই বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধি। প্রসঙ্গত, নতুন তথ্য জানার আইনে তথ্য কমিশনারদের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করে দেওয়া হয়েছে।

তথ্য জানার অধিকার আইনকে ঐতিহাসিক অ্যাখা দিয়ে সোনিয়া বলেন, '‌এই আইন গত ১৩ বছরে এমন এক প্রতিষ্ঠানের জন্ম দিয়েছে যা আমজনতার কাছে গণতন্ত্র, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার পীঠস্থান হয়ে উঠেছে।’‌ দেশব্যাপী তথ্যের অধিকার আন্দোলন কর্মীরা দুর্নীতি মোকাবিলা, সরকারি নীতিসমূহের কার্যকারিতা যাচাই করা, বিমুদ্রাকরণ ও নির্বাচনের মতো প্রক্রিয়ায় অসম্পূর্ণতা, ঘাটতি পরিমাপ করতে এই আইনকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেছেন বলে জানান সোনিয়া।

তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদী সরকার আইনকে তাদের প্রধান অ্যাজেন্ডাগুলিকে চাপিয়ে দেওয়ার পথে এক অন্তরায় হিসেবে দেখছে। সোনিয়া গান্ধি এ প্রসঙ্গে বলেন, '‌তথ্য কমিশনারদের মেয়াদ কমানো মানে তাঁরা সরকারের দয়ার উপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়লেন। এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে সরকারকে।’‌‌

‌গত জুলাই মাসে তথ্য জানার অধিকার আইনের সংশোধনী বিল পাস হয় সংসদের উভয় কক্ষেই। এই সংশোধনীর মধ্যে রয়েছে কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদ উভয়ই। তাঁদের বেতন কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধানেই হবে। বিরোধীদের দাবি, এর ফলে তথ্য কমিশনারদের স্বাধীনতাই খর্ব হবে। সোনিয়া গান্ধির বক্তব্য, নির্দিষ্ট বেতন ও পাঁচ বছরের মেয়াদ, এই পরিকাঠামো কমিশনাদের স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করতে তৈরি করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, মোদী সরকার নিশ্চিত করতে চেয়েছে, যাতে কোনও আত্মসম্মান থাকা ব্যক্তি এরপর এই ধরনের শর্তে যাতে কাজ করতে না চায়। এবং এর ফলে কোনও কমিশনারই সরকারের হস্তক্ষেপ ও নির্দেশের বাইরে থাকলেন না।

English summary
The RTI Act, was a historic legislation that gave birth to an institution that in the last 13 years
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more